বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ প্রসারের পথিকৃৎ দীপাল চন্দ্র বড়ূয়া ২০০৯ সালে ব্রাইট গ্রিন এনার্জি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বাংলাদেশ সোলার অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট। এর আগে তিনি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন গ্রামীণ শক্তির প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিশেষ অবদানের জন্য ২০০৯ সালে আবুধাবিতে প্রথম জায়েদ ফিউচার পুরস্কারে ভূষিত হন দীপাল বড়ূয়া। তিনি ওয়ার্ল্ড ফিউচার কাউন্সিলের সদস্য এবং গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- 'দ্য পুওরস অলওয়েজ পে ব্যাক'। ১৯৭৯ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করেন তিনি। দীপাল চন্দ্র বড়ূয়ার জন্ম ১৯৫৪ সালে, চট্টগ্রামে।

সমকাল: দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে লোডশেডিং ফিরে এসেছে। এই সময়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি কি অবদান রাখতে পারছে?

দীপাল চন্দ্র বড়ূয়া: দেখুন, সময়মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে নজর দিলে এই সংকটের সময় তা কাজে আসতে পারত। এখন যে প্রচলিত বিদ্যুতের দেড়-দুই হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি রয়েছে, তা নবায়নযোগ্য উৎস থেকে মেটানো সম্ভব হতো। তাহলে আজকে আমাদের আর জ্বালানি আমদানি নিয়ে সংকটে পড়তে হতো না।

সমকাল: কীভাবে?

দীপাল বড়ূয়া: আমরা যদি রুফটপ সোলার সিস্টেম করতে পারতাম এবং সেগুলোর নেট মিটারিং পদ্ধতিতে চালাতে পারতাম, তাহলে এখনই আড়াই হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ করা যেত।

সমকাল: নেট মিটারিং পদ্ধতি কী? সাধারণ পাঠকের জন্য বুঝিয়ে বলবেন?

দীপাল বড়ূয়া: নেট মিটারিং মানে হলো, আপনার রুফটপ সোলার সিস্টেমের সঙ্গে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ আদান-প্রদানের ব্যবস্থা থাকবে। প্রচলিত ব্যবস্থায় আপনি শুধু জাতীয় গ্রিড থেকে গ্রহণ করেন। নিজে দিতে পারেন না। নেট মিটারিং হলে কতখানি বিদ্যুৎ নিলেন আর কতখানি দিলেন, সেটা যোগ-বিয়োগ করে বিদ্যুতের বিল নির্ধারিত হবে। যদি আপনার বিদ্যুৎ কনজাম্পশন জিরো হয়, তাহলে রুফটপ সোলার সিস্টেম থেকে যা দেবেন, উল্টো তার বিল পাবেন।

সমকাল: কিন্তু এত রুফটপ সোলার প্যানেল কীভাবে পাব?

দীপাল বড়ূয়া: দেখুন, আমাদের হিসাবে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর ছাদ ব্যবহার করেই আড়াই হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি জাতীয় গ্রিডে যোগ করা সম্ভব। যেমন দেশে প্রায় দেড় লাখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাই স্কুল ও কলেজ রয়েছে। তিন লাখের বেশি ধর্মীয় উপাসনালয় রয়েছে। এগুলোতে যদি আমরা ৫ কিলোওয়াট করেও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে দিতে পারি, তাহলে দুই-আড়াই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করা সম্ভব। এ লক্ষ্যেই কিন্তু ২০০৮ সালে জ্বালানিনীতি গৃহীত হয়েছিল।

সমকাল: জ্বালানিনীতিতে ২০২০ সালের মধ্যে মোট উৎপাদনের ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আহরণের পরিকল্পনা ছিল। ইতোমধ্যে ওই সময়সীমার দুই বছর পেরিয়ে গেছে। অগ্রগতি কতটুকু?

দীপাল বড়ূয়া: দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, ওই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমরা খুব বেশি দূর অগ্রসর হতে পারিনি। আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা এখন কমবেশি ২৪ হাজার মেগাওয়াট। ১০ শতাংশ মানে প্রায় আড়াই হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আহরণ করার কথা ছিল। কিন্তু 'স্রেডা' বা টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী এটা ৮৯৩ দশমিক ৫ মেগাওয়াট। তার মানে, কমবেশি ৩ শতাংশ মাত্র।

সমকাল: নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎসগুলো কী কী?

দীপাল বড়ূয়া: গৃহস্থালি সৌরবিদ্যুৎ বা সোলার হোম সিস্টেম সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট। আপনি জানেন নিশ্চয়ই, গত আড়াই দশকে বাংলাদেশে কমবেশি ৬০ লাখ সোলার হোম সিস্টেম স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে রুফটপ সোলার সিস্টেম বা বড় স্থাপনার ছাদে বসানো সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা। সৌরবিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্প রয়েছে। ইউটিলিটি স্কেল সোলার, সোলার মিনি গ্রিড, সোলার স্ট্রিট লাইট রয়েছে। সামান্য পরিমাণে, প্রায় ৩ মেগাওয়াট আসে উইন্ডমিল বা বায়ুকল থেকে। বায়োগ্যাস রয়েছে, হাইড্রো ইলেকট্রিসিটি রয়েছে।

সমকাল: হাইড্রো ইলেকট্রিসিটি মানে কর্ণফুলী নদীর কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কথা বলছেন?

দীপাল বড়ূয়া: ঠিকই বলেছেন। সোলার হোম সিস্টেমের পর সবচেয়ে বেশি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ আসে এই প্রকল্প থেকে, সর্বোচ্চ ২৩০ মেগাওয়াট। এটা এখন পর্যন্ত দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র।

সমকাল: জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাব্য সব খাত কি যাচাই করে দেখা হয়েছে?

দীপাল বড়ূয়া: দেখুন, জলবিদ্যুতের জন্য পাহাড়ি খরস্রোতা নদী প্রয়োজন। বাংলাদেশে তেমন নদী খুব বেশি নেই। অবশ্য ভাসমান সোলার বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যেতে পারে। চীনের একটি প্রতিষ্ঠান এই খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী। যাতে কৃষিজমি নষ্ট না হয়, সে জন্য জলাশয়ে এসব স্থাপিত হবে।

সমকাল: তাতে তো প্রতিবেশ বিনষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

দীপাল বড়ূয়া: বিষয়টি পরীক্ষামূলক বাস্তবায়ন করে দেখে তারপর বলা যেতে পারে। উন্নত বিশ্বে এই পদ্ধতি চালু রয়েছে। প্রতিবেশের জন্য ক্ষতিকর হলে তারা এটা করত না।

সমকাল: হিমালয় অঞ্চলে নেপাল, ভুটান বা ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি প্রস্তাবনার কথা শোনা গিয়েছিল।

দীপাল বড়ূয়া: আমিও শুনেছি। এ ক্ষেত্রে বিবেচনার বিষয় জ্বালানি নিরাপত্তা। নবায়নযোগ্য জ্বালানি যদি দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত হয়, তাহলে তা টেকসই। অন্তত ২০ শতাংশ জ্বালানির উৎস নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকতে হবে। এটা আপনি জ্বলানি বা বিদ্যুৎ আমদানি করে সম্ভব নয়। নবায়নযোগ্য জ্বালানিই হতে হবে। আর নবায়নযোগ্য জ্বালানিও আরেক দেশ থেকে আমদানি করে বা যৌথভাবে উৎপাদন করতে গেলে এর চাবিকাঠি থাকবে অন্যের হাতে।

সমকাল: দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন উৎস থেকে যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি পাচ্ছি; জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত হতে না পারা সেগুলোরও একটা বড় সীমাবদ্ধতা নয় কি?

দীপাল বড়ূয়া: আপনি জেনে আনন্দিত হবেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির অর্ধেকের বেশি এখন আমরা জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত করতে পারছি। প্রায় সাড়ে পাঁচশ মেগাওয়াট।

সমকাল: জাতীয় গ্রিডভিত্তিক আমাদের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ক্ষেত্রে অবশ্য এটা খুবই সামান্য। আপনি জানেন, সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে। এর ১০ ভাগ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলেও তো ৪ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রয়োজন হবে। সেটা সম্ভব?

দীপাল বড়ূয়া: আমি মনে করি, সম্ভব। রুফটপ সোলার সিস্টেম এবং সেখানে নেট মিটারিং করেই সম্ভব। যেমন ধরুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের কথা তো আগেই বলেছি। সেখানে দুই থেকে আড়াই হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এ ছাড়া বাংলাদেশে সাড়ে চার হাজারের বেশি পোশাক কারখানা আছে। এগুলোর রুফটপে যদি আধা মেগাওয়াট করেও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়, তাহলে এখান থেকে আসবে অন্তত দুই হাজার মেগাওয়াট। এছাড়া অন্যান্য কারখানা তো আছেই। সিলেটে আমি একটি স্পিনিং মিল দেখেছি। তারা রুফটপে এক মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। এখনও উদ্যোগ নিলে ২০৩০ সালের মধ্যে চার হাজার মেগাওয়াটের বেশি কেবল রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যোগ করা সম্ভব।

সমকাল: আমরা তো কিছু পোশাক কারখানা সম্পূর্ণ 'গ্রিন' হতেও দেখছি।

দীপাল বড়ূয়া: আমি যতদূর জানি, বাংলাদেশে দেড়শর বেশি পোশাক কারখানা ইউএসজিবিসি বা যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল থেকে লিড সার্টিফিকেট পেয়েছে। 'লিড' মানে লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডিজাইন। আরও পাঁচশর বেশি কারখানা এই সবুজ সনদের জন্য নিবন্ধন করেছে। আর আপনি যদি গ্রিন সার্টিফিকেট পান তাহলে আন্তর্জাতিক বাজারেও নানা সুবিধা পাবেন।

সমকাল: আপনি জানেন, গত বছর গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশ স্বনির্ধারিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছে- ২০৪১ সালের মধ্যে ৪০ ভাগ বিদ্যুৎ আসবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে। আবার ওই সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ হাজার মেগাওয়াট। তখন ২৪ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব?

দীপাল বড়ূয়া: এ ক্ষেত্রে আমাদের নীতি ও কাঠামোগত সক্ষমতা পুনর্গঠন করতে হবে। বর্তমান নীতি ও কাঠামো দিয়ে এই বিপুল কর্মযজ্ঞ সম্পাদন সম্ভব নাও হতে পারে। বিদ্যুৎ বিষয়ে আমাদের বর্তমান মাইন্ডসেট পাল্টাতে হবে।

সমকাল: বিষয়টি আরও ব্যাখ্যা করুন।

দীপাল বড়ূয়া: এখন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি বিভাগ আছে। প্রাথমিকভাবে আরেকটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিভাগ করতে হবে। পর্যায়ক্রমে আলাদা নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় করতে হবে।

সমকাল: এ জন্য স্রেডা তো আছে।

দীপাল বড়ূয়া: প্রশ্নটা এখানেই। এখন স্রেডা কাজ করে বিদ্যুৎ বিভাগের অধীনে। এর যে জনবল ও বাজেট, তা দিয়ে ২০৪১ সালের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা কঠিন। এ ছাড়া প্রচলিত বিদ্যুৎ বিভাগের একটি মাইন্ডসেট হলো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি দিয়ে বেশি কিছু করা যাবে না। এ জন্য আলাদা বিভাগ হলে তখন আলাদা করে বাজেট পাওয়া যাবে। এর নেতৃত্বে থাকবেন সিনিয়র সচিব, অন্তত একজন সচিব। তখন নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রচলিত জ্বালানির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এগিয়ে যেতে পারবে। গতি আসবে, ওনারশিপ বাড়বে।

সমকাল: আলাদা মন্ত্রণালয় কেন?

দীপাল বড়ূয়া: আলাদা মন্ত্রণালয় এই কারণে, প্রচলিত জ্বালানির সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিরোধ চিরন্তন। একটার ব্যবহার বাড়লে আরেকটা কমবে। ফলে স্বার্থের সংঘাত রয়েছে। এ জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ে আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করে দিলে সুবিধা। এমনকি নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে আলাদা যে বিভাগের কথা বলছি, সেটাও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের বাইরে অন্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে যাওয়া উচিত।

সমকাল: অন্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিলে কী সুবিধা?

দীপাল বড়ূয়া: তাহলে বিমাতাসুলভ আচরণের শিকার হবে না। স্বার্থের সংঘাত ঘটবে না।

সমকাল: এ ক্ষেত্রে কোন মন্ত্রণালয় হতে পারে?

দীপাল বড়ূয়া: দুটো মন্ত্রণালয় প্রাথমিকভাবে হতে পারে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বা বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। আমার মতে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বেশি উপযুক্ত। কারণ এর দেশব্যাপী নেটওয়ার্ক আছে; বিপুলসংখ্যক প্রকৌশলীও রয়েছেন।

সমকাল: নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিপুল লক্ষ্যমাত্রা এবং অপ্রতুল অর্জনের মধ্যে ভারসাম্য আনতে হলে আর কী করতে হবে?

দীপাল বড়ূয়া: প্রথমত, বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বরাদ্দ বাড়াতেই হবে। দ্বিতীয়ত, সোলার প্যানেলসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে ভ্যাট, ট্যাক্স শূন্য করে দিতে হবে। যেমন এই অর্থবছরে সোলার প্যানেল আমদানির ক্ষেত্রে ২৬ শতাংশ কর ধার্য করা হয়েছে। আগের বছর এটা ছিল ১০ শতাংশ। বিএনপি সরকারের সময় ৩৭ শতাংশ ট্যাক্স ছিল। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার পর এটা শূন্যে নামিয়ে এনেছিলেন। নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে উৎসাহিত করতে হলে আবারও এই খাতে ভ্যাট-ট্যাক্স শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে।