জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে যোগদানের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিউইয়র্ক আগমনে আনন্দ সমাবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনন্দ সমাবেশ করেন নেতাকর্মীরা। সে সময় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। 

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যানুষ্ঠানে যোগদান শেষে লন্ডন থেকে সোমবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা ২৫ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। 

বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি চার্টার্ড ফ্লাইটটি চার নম্বর টার্মিনালে অবতরণের আগেই পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে টার্মিনাল এলাকা।  

সোমবার সন্ধ্যা থেকেই জেএফকে বিমাবন্দরে জড়ো হয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে আসা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নানা ধরনের শ্লোগান দিতে থাকেন। টার্মিনালের আরেক পাশে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলো প্রতিবাদসহ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরে উভয় দলের নেতাকর্মীরা টার্মিনাল এলাকা ত্যাগ করেন।  

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মুহাম্মদ আব্দুল মুহিত। পরে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ম্যানহাটনের অভিজাত হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়।

আনন্দ সমাবেশে নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্রে আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ। প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম, আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুল হাসিব মামুন, দেওয়ান বজলু চৌধুরী, আশরাফুজ্জামান, খোরশেদ খন্দকার, মোর্শেদা জামান, আতাউল গনি আসাদ, আলী হোসেন গজনবী, তারিকুল হায়দার চৌধুরী, শাখাওয়াত বিশ্বাস ও যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ সেবুল মিয়াসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মীরা আনন্দ সমাবেশে যোগ দেন।

অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দেন।