কর্মচারি নিয়োগে অনিয়ম

চবির রেজিস্ট্রার ও ডিনসহ ৪৬ জনকে দুদকে তলব

প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০১৯     আপডেট: ৩০ জুলাই ২০১৯      

চট্টগ্রাম ব্যুরো

ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) রেজিস্ট্রার, ডিন, সাবেক প্রক্টরসহ আট শিক্ষক, তিন কর্মকর্তা এবং ৩৫ কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানে তাদের এভাবে তলব করা হয়।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মো. ফখরুল ইসলামের সই করা এক অফিস আদেশে এসব শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে আগামী ২২ আগস্ট নির্ধারিত সময়ে দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে অভিযোগ অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার কাছে নিজেদের বক্তব্য প্রদানের অনুরোধ করা হয়েছে।

দুদকের তলব করা ৮ শিক্ষকের মধ্যে রয়েছেন- সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এএফএম আওরঙ্গজেব, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও বিজ্ঞান ওয়ার্কশপের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. শফিউল আলম, সাবেক প্রক্টর প্রফেসর মো. আলী আজগর চৌধুরী।

তিন কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন- রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কেএম নুর আহমদ, হিসাব নিয়ামক (ভারপ্রাপ্ত) মো. ফরিদুল আলম এবং উপাচার্য দফতরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (কম্পিউটার) মো. জাহাঙ্গীর আলম।

এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে আছেন-শাহ আমানত হলের প্রভোস্ট প্রফেসর মো. গোলাম কবীর, ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের সভাপতি ড. মো. সুমন গাঙ্গুলী, ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস এর পরিচালক মো. জাহেদুর রহমান এবং পরিবহন দফতরের প্রশাসক প্রফেসর ড. মো. রাশেদ উন নবী।

সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের শেষ সময়ে এসে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী পদে ১৪২ জনকে নিয়োগ প্রদানের জন্য গঠিত সিলেকশন বোর্ডে এসব শিক্ষক, কর্মকর্তা সিলেকশন বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এদিকে ওই সময়ে নিয়োগ পাওয়া ৩৫ কর্মচারীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মো. ফখরুল ইসলামের কাছে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের বিষয়ে তিন ধাপে তাদের বক্তব্য দেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।