কওমি মাদ্রাসা নিয়ে কয়েকজন এমপি মন্ত্রীর 'আপত্তিকর ও অনাকাঙ্ক্ষিত' বক্তব্যের নিন্দা করে প্রতিবাদ জানিয়েছে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি'আতিল কওমিয়া। রোববার কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ এই নিয়ন্ত্রক সংস্থার কমিটির বৈঠক থেকে এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে।

হাইয়াতুল উলায়র চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভার পর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত বেশ কিছুদিন ধরে সরকারের দায়িত্বশীল একাধিক মন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও এমপি ঐতিহ্যবাহী কওমি শিক্ষাব্যবস্থা ও মাদ্রাসা সম্পর্কে আপত্তিকর বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদে যুক্ত করছে, নারী, শিশু ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু বিদ্বেষী ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বিদ্বেষী করে গড়ে তুলছে বলে- মন্ত্রী এমপিরা যেসব অভিযোগ তা সঠিক নয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, একজন মন্ত্রী বলেছেন 'কওমি মাদ্রাসায় ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা শেখানো হচ্ছে।' আরেক উপমন্ত্রী উলামায়ে কেরামকে ইসলামের শত্রু আখ্যা দিয়েছেন। সর্বসম্প্রতি একজন এমপি মুসলমানদের আহ্বান জানিয়েছেন কওমি মাদ্রাসায় কোরবানির পশুর চামড়া দান না করতে। 

হাইআতুল উলয়া মনে করে, এ সব বক্তব্য অসত্য, গর্হিত ও নিন্দনীয়। বক্তব্য দাতারা সরকার ও উলামায়ে কেরামের মধ্যে দুরুত্ব সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার সহসভাপতি মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী, মাওলানা মুফতি ফয়জুল্লাহ, বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া গওহরডাঙ্গার সভাপতি মাওলানা মুফতি রুহুল আমীন, মহাসচিব মাওলানা শামসুল হক প্রমুখ।

বিষয় : কওমি মাদ্রাসা এমপি মন্ত্রী

মন্তব্য করুন