শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে অনার্স কোর্সের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করতে পারেন। পাশাপাশি দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিতে পারেন। 

বৃহস্পতিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোর ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুর ক্যাম্পাসে উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে এই অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'আপনারা এই কোভিডের সময়ে অনলাইনে ও সামনা-সামনি ক্লাস শুরু করতে যাচ্ছেন। এখন অনেক চ্যালেঞ্জ। আপনাদের অনেক নতুন স্বপ্ন রয়েছে। আপনাদের সেই স্বপ্নগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে। সেজন্য সরকার ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আপনাদের পাশে আছে। আমরা বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সার্বিক দিকনির্দেশনা এবং পরামর্শে আপনাদের জন্য অনার্স ডিগ্রির পাশাপাশি নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, যাতে আপনারা নানারকম দক্ষতা নিয়ে গড়ে উঠতে পারেন। দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত হতে পারেন। নিজেরা উদ্যোক্তা হতে পারেন কিংবা কর্মসংস্থানের জন্য দেশে-বিদেশে নানা সুযোগ তৈরি হয় সেটি গ্রহণ করতে পারেন।  আশা করছি এর মধ্য দিয়ে আপনাদের সেই স্বপ্নগুলো পূরণ হবে। আপনারা দক্ষ জনশক্তি হিসেবে তৈরি হবেন। দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত হবেন। এই দেশটিকে নিয়ে যে অভিষ্ট্য লক্ষ্য- বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা, সেই সোনার বাংলা রূপান্তরে আপনারা অবদান রাখবেন। আপনাদের মাধ্যমে এই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে এই আশাবাদ রইল।'

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান বলেন, '২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক সম্মান প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের স্বাগতম ও অভিনন্দন জানাই। নবীন শিক্ষার্থী হিসেবে যারা স্ব স্ব কলেজ প্রাঙ্গণে ক্লাশ শুরু করতে যাচ্ছে, তাদের সবাইকে আমি শুরুতেই আহ্বান জানাবো যেন নিয়মিত লাইব্রেরিতে যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলো হয়। শিক্ষকদের সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে, অনলাইনে সর্বত্র প্রশ্ন করার অভ্যাস যেমন গড়ে তুলবে, একই সঙ্গে নিজেদের মধ্যে পাঠ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে আমি মনে করি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে মানবসম্পদে পরিণত হবে, দক্ষ জনশক্তি হবে, একই সঙ্গে দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে নিজেদের তৈরি করতে পারবে।'