এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে আগুন লাগার ঘটনায় গঠিত তিনটি তদন্ত কমিটি তদন্ত কাজ শুরু করেছে। শনিবার কমিটির সদস্যরা ঝালকাঠিতে এসে আগুনে পুড়ে যাওয়া লঞ্চটি পরিদর্শন করেছেন। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব তোফায়েল হাসান, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া এবং ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. নাজমুল আলমের নেতৃত্বে এই তিন কমিটি তদন্ত শুরু করেছে।

এ সময় তারা লঞ্চটির বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন, প্রত্যক্ষদর্শী এবং যাত্রীদের সহায়তাকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করেন।

এই তদন্তের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব তোফায়েল হাসান বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই লঞ্চটি পরিদর্শন করেছি। এরপর বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে নোট নিয়েছি। উদ্ধারকারীদের সঙ্গেও কথা বলেছি। পর্যায়ক্রমে যেসব স্থানে লঞ্চটি থেমে ছিল সেখানেও যাবো। জাহাজ চালনার সারেং, মাষ্টার কেরানীসহ স্টাফদের খুঁজে বের করে তাদের সঙ্গে কথা বলবো। লঞ্চের কাগজপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখা হবে। এ ছাড়াও কী কারণে এই দুর্ঘটনা এবং কারও দায়িত্বে অবহেলা বা ব্যার্থতা আছে কিনা সব কিছু আমরা খতিয়ে দেখবো।

নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি শাহজাহান খান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- ইঞ্জিন রুমের সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে এ আগুনের সূত্রপাত।

এমন তথ্যের বিষয়ে তদন্ত কমিটির এই কর্মকর্তা যুগ্ম সচিব তোফায়েল হাসান বলেন, এটা আমরা যাচাই বাছাই করে দেখবো। তবে এই ঘটনাটি একটি অকল্পনিয় এবং ভায়াবহ ঘটনা।

লঞ্চের  মালিক পক্ষ বলেছে এটা নাশকতা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আমরা এখনও বের করতে পারিনি। তবে সবকিছু মাথায় রেখেই আমার আমাদের তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি।