করোনাভাইরাস সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকায় সরকারি-বেসরকারি অফিসে অর্ধেক জনবল দিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। সোমবার প্রথমদিন সচিবালয়সহ বিভিন্ন দপ্তর-অধিপ্তরে এ সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশনা পুরোপুরি মানতে দেখা যায়নি। গতবারের মতো রোস্টার ডিউটির তালিকাও করেনি বেশিরভাগ মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অর্ধেক জনবলে অফিস চালাতে নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

তবে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অসুস্থ হলে কোভিড টেস্ট করে নেগেটিভ নিশ্চিত হয়ে অফিসে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। করোনা আক্রান্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অফিস চলাকালে অপ্রয়োজনে বিভিন্ন কক্ষে অথবা করিডোরে চলাচল পরিহার, সকল প্রকার আলাপ ইন্টারকমের মাধ্যমে সম্পাদন, দাপ্তরিক কাজ ই-নথিতে নিষ্পত্তিকরণে জোড় দিয়েছেন সচিবালয়ের কর্মকর্তারা।

সোমবার পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়সহ মাত্র কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ রোস্টার দায়িত্ব সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করেছে। শুধুমাত্র জরুরি কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। তবে রোস্টার চলাকালে কর্মকর্তারা নিজ দায়িত্বের পাশাপাশি ছুটিকালীন বিকল্প কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন। 

এদিকে সোমবার থেকে সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকের জন্য এমনিতেই পাস বন্ধ থাকে। সরকারি নির্দেশনার কথা না জেনেই অনেক দর্শনার্থী সকালে চলে এসেছিলেন।

বিধিনিষেধ বাড়ানো নিয়ে সিদ্ধান্ত আরও পরে: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি দেখে চলমান বিধিনিষেধের বিষয়ে পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারির পর বিধিনিষেধ বাড়নোর বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।