নানা আয়োজনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘খুনি-ধর্ষক প্রতিরোধ দিবস’ পালিত হয়েছে। 

দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাশে জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। 

শহীদ মিনারের মোমবাতি প্রজ্বালনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এসময় ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আনিছা পারভীন জলি বলেন, খুনি-ধর্ষক প্রতিরোধ আন্দোলনের তেজোদীপ্ত ধারা আমরা ধরে রেখেছি। এই আন্দোলনের জের ধরে যে জোয়ার তৈরি হয়েছিল, তাতে ধর্ষক, নীপিড়ক, খুনিরা দুর্বার প্রতিরোধের মুখে ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। আপনারা জানেন আমরা যখন শিক্ষার্থী ছিলাম তখনও এই দিনটি উদযাপনে আমরা লজ্জিত হইনি। সবসময়ই ক্ষমতাবানরা চেয়েছে এই দিনটি যাতে উদযাপিত না হয়। 

জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সৌমিক বাগচী বলেন, আমাদের একটি গৌরবজ্জ্বল ইতিহাস আছে। এ কারণেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা। বারবার আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছি, এই প্রতিবাদ, প্রতিরোধই জাহাঙ্গীরনগরকে আলাদা করেছে।

আলোচনা সভায় ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক অমর্ত্য রায় ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক কনজ কান্তি রায় বক্তব্য দেন। 

১৯৯৯ সালের ২ আগস্ট সফল এক আন্দোলনের মাধ্যমে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে খুনি-ধর্ষক মুক্ত হয়। তখন থেকেই ২ আগস্ট খুনি-ধর্ষক প্রতিরোধ দিবস হিসেবে পালন করে আসছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।