ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

ঢাবি যেন ময়লার ভাগাড়, অপরিচ্ছন্নতাই চিরাচরিত চিত্র

ঢাবি যেন ময়লার ভাগাড়, অপরিচ্ছন্নতাই চিরাচরিত চিত্র

শিববাড়ী আবাসিক এলাকায় ময়লার নির্ধারিত বিন ব্যবহার না করে রাস্তায় ময়লা ফেলা হচ্ছে। ছবি: সমকাল

যোবায়ের আহমদ

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১৭:১১ | আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১৮:০০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) আদেশের শুরুর দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষমতায় (৪/ঢ)-তে বলা আছে, শিক্ষার্থীর বাসস্থান ও শৃঙ্খলা তত্ত্বাবধান, তাদের স্বাস্থ্যের উন্নতির ব্যবস্থা গ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষমতা থাকবে। সেটা তো দূরের বিষয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে মৌলিক পরিচ্ছন্নতায়ই যথাযথভাবে রক্ষা সম্ভব হচ্ছে না। গত কয়েকদিনে ক্যাম্পাসে সরেজমিনে ঘুরে অপরিচ্ছন্নতা ও বেশিরভাগ অ্যাকাডেমিক এবং আবাসিক ভবনের শৌচাগারগুলো খুবই অপরিষ্কার এবং অস্বাস্থ্যকর চিত্র নজরে এসেছে। তবে বেশ কয়েকটি ভবন বেশ পরিচ্ছন্নও দেখা গেছে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের দপ্তর প্রশাসন-৯-এর তথ্যমতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী এবং খণ্ডকালীন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ৩৫০ জনের কাছাকাছি। কেন্দ্রীয়ভাবে এস্টেট অফিস এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, বিভাগের অধীনে এরা নিয়োগপ্রাপ্ত। সবারই ন্যূনতম আটঘণ্টা ডিউটি করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়া তাদের নজরদারির জন্য কেয়ারটেকার-সুপারভাইজার আছেন; অফিসপ্রধান তো আছেনই। বেশিরভাগের মধ্যে দায়সারা ভাব ও অবহেলা নজরে এসেছে।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতার সুনির্দিষ্ট কোনো মাপকাঠি বা নির্দেশনা নেই। ফলে কোনো হলে প্রত্যহ দুইবার আবার কোথাও সপ্তাহে মাত্র দুইবার পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হয়। আবার কোনো এরিয়াকে পরিষ্কার করবে—এ বিষয় সুনির্দিষ্ট করা নেই। ফলে কয়েক অফিসে কর্মীদের রেষারেষিতে কিছু স্থান পরিষ্কার করাই হয় না। নির্ধারিত পোশাকও কেউ পরিধান করে না।  

গত ২০২৩ সালের নভেম্বরে শীর্ষ প্রশাসন সব অফিসে চিঠি দিয়ে জানায়, ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজে শৈথিল্য দেখা যাচ্ছে, তারা সঠিক সময়ে ডিউটি না করায় রাস্তার ধূলাবালিতে চলাচলে সবার অসুবিধা হচ্ছে। এতে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে সেগুলো মানতে দেখা যায়নি।

সরেজমিনে দেখা যায়, রেজিস্ট্রার ভবন, টিএসসি, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও মসজিদ, মোকারররম হোসেন খন্দকার বিজ্ঞান ভবন, চারুকলা, কলাভবন, এফবিএস এবং মানবিকের হলগুলোর ভবন ও ভবনের বাইরে বেশ অপরিচ্ছন্ন, বিভিন্ন স্থানে ময়লার ভাগাড়, শৌচাগারগুলো অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা। তবে কার্জন হলের এলাকা অর্থাৎ বিজ্ঞানের হল ও অ্যাকাডেমিক ভবন, মেয়েদের হল ও আইবিএ তুলনামূলক পরিচ্ছন্ন।

তিন ভবনে মান্ধাতা আমলের ওয়াশরুম

১৯৭২ সালের উদ্বোধনকৃত শামসুন নাহার হলের অনার্স ভবন ও মাস্টার্স ভবনের ওয়াশরুমগুলো মান্ধাতা আমলের। মোজাইককৃত মেঝে শ্যাওলা পড়ে ঘন কালো আকার ধারণ করেছে, স্যাঁতস্যাঁতে অবস্থা। পানির ট্যাপ, দেয়ালগুলোও ভঙ্গুর। একই রকম অবস্থা স্যার এফ রহমান হলে, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের এক্সটেনশন ভবনে, কেন্দ্রীয় মসজিদে— নিয়মিত এগুলো পরিষ্কারও করা হয় না।

বিজয় একাত্তর হল, সূর্যসেন হল, জহুরুল হক হলের মূল ভবন, কলাভবন, লেকচার থিয়েটার ভবন, রেজিস্ট্রার ভবন, টিএসসি, কাজী মোতাহের হোসেন ভবন, মোকাররম হোসেন খন্দকার বিজ্ঞান ভবন এলাকার ভবনগুলোর ওয়াশরুম টাইলস করা থাকলেও এগুলো খুবই অপরিষ্কার, দেয়ালে মাকড়সার জালে ঘেরা।

রেজিস্ট্রার ভবন এলাকা

রেজিস্ট্রার ভবনের ওয়াশরুমগুলো খুবই নোংরা এবং তীব্র দুর্গন্ধ। ভবনের প্রকৌশল দপ্তরের সামনের মাঠে ময়লার ভাগাড়, পিছনে ড্রেনে ময়লা জমে থাকতে দেখা যায়। এ ছাড়া ল্যাবরেটরি স্কুল সংলগ্ন মুহসীন হলের গেট থেকে রেজিস্ট্রার ভবনের পিছন দিকে সূর্যসেন হল, এফবিএস অনুষদ থেকে একদিকে ভিসি চত্বর এবং অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মসজিদের পুরো রাস্তা যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা জমা হয়ে আছে।

গত মঙ্গলবার এ বিষয়ে জানতে চাইলে এস্টেট অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহেদ মিয়া অপরিচ্ছন্নতার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান। তবে শুক্রবার পর্যন্ত অবস্থার তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। 

কলাভবন

বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনালগ্নের এই অনুষদের ওয়াশরুমগুলো যেমনই অপরিষ্কার তেমনই স্বাস্থ্যবিধি  (হাইজিন) মানা হয় না। ওয়াশরুমে সাবান নেই, তীব্র দুর্গন্ধ। এই ভবনের অধীন লেকচার থিয়েটার ভবনেও একই অবস্থা। কলাভবনের পূর্বপাশে বড় বড় ময়লার স্তুপ, চারপাশে ড্রেনে ময়লা। কলাভবনের গুরুদুয়ারা সংলগ্ন গেটের পাশে ময়লার ভাগাড় দেখা যায়।

কলাভবনের সুপারভাইজার মকবুল হোসেন বলেন, ‘কর্মীরা তো নিয়মিত দুইবার ওয়াশরুম পরিষ্কার করে। আমি বিষয়টি দেখছি।’

মোকাররম ভবন ও বিজ্ঞান লাইব্রেরি এলাকা

এই এলাকা খুবই অপরিচ্ছন্ন। যত্রযত্র ময়লার ভাগাড় হয়ে আছে, দেখে বুঝা যায়, দীর্ঘদিন পরিষ্কার করা হয় না। এখানে মোকাররম হোসেন খন্দকার বিজ্ঞান ভবনে ফার্মেসি অনুষদ ও বিজ্ঞান অনুষদের বিভাগ, বিজ্ঞান লাইব্রেরি, পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউট, তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটসহ বেশকিছু ভবন রয়েছে। প্রত্যেক বিভাগের বা ইনস্টিটিউটের নিজস্ব পরিচ্ছন্নতাকর্মী রয়েছে। কে কোন অংশ করবে, এটা নিয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা একে অন্যের ওপর দায় চাপিয়েছেন। এখানে ময়লা স্থানান্তরের কোনো ব্যবস্থাও নেই।

 ফার্মেসি অনুষদের সাবেক ডিন ও বর্তমান উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক সীতেশ চন্দ্র বাছার বলেন, ডিন থাকাকালে এ বিষয়টি নিয়ে আমরাও সমস্যায় ছিলাম। দেখব কিছু করা যায় কিনা। 

কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার এলাকা

কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ওয়াশরুমগুলো তুলনামূলক পরিষ্কার তবে এখানে স্বাস্থ্যবিধি (হাইজিন) রক্ষা হয় না। গ্রন্থাগারের পেছনে, উত্তরপাশে, দক্ষিণপাশে মিলনচত্বরে বড় বড় ময়লার স্তুপ রয়েছে। যেগুলো দীর্ঘদিন ধরে থাকলেও পরিষ্কার করা হয় না।

কেন্দ্রীয় মসজিদের পশ্চিমপাশে বিশাল আবর্জনার ভাগাড়, কলাভবন ক্যাফের পেছনে মধুর ক্যান্টিনের সামনে ময়লা/বালুর স্তুপ এবং পরিত্যাক্ত ভ্যান পড়ে আছে। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সামনের রাস্তাও পরিষ্কার নয়, খানাখন্দে ভরা। বৃষ্টি হলেই এখানে কাদা জমে।

শাহবাগের দিক থেকে টিএসসি যাওয়ার সড়ক সংলগ্ন নাটমণ্ডলের পুরো বাগান ময়লায় ঘেরা। চারুকলার অভ্যন্তরও বেশ অপরিচ্ছন্ন। আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পিছনে দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় আবর্জনা স্তুপ হয়ে আছে। এগুলোতেও দীর্ঘদিন কারও নজর নেই।

 টিএসসির এলাকা পরিচ্ছন্ন হলেও ওয়াশরুমগুলো খুবই নোংরা। টিএসসির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক খোরশেদ আলম বলেন, ‘নিয়মিত পরিষ্কার করে। তবে এটাকে আরও ডেভেলপ করা যায় কিনা আমি দেখব।’

এ ছাড়া অন্যান্যর মধ্যে শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রের চারপাশে পরিচ্ছন্ন দেখা গেছে। তবে ওয়াশরুমগুলো বেশ নোংরা। কাজী মোতাহার হোসেন ভবন এলাকা যেমন অপরিচ্ছন্ন চারদিকে ময়লার ভাগাড় তেমনি ওয়াশরুমগুলো নোংরা। ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ (এফবিএস) ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনটি নতুন তবে ওয়াশরুমগুলো যথাযথ পরিচ্ছন্ন নয়, তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ায়, হাইজিনের বিষয়টিও মানা হয় না। ওয়াশরুমে সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাওয়া যায়নি। গণিত ভবন তুলনামূলক পরিচ্ছন্ন পাওয়া গেছে।

হলগুলোতে দুই রকম চিত্র

বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হলে পরিচ্ছন্নতা কর্মীর সংখ্যা প্রায় সমান। তবে কয়েকটি হলে প্রাধ্যক্ষদের অবহেলা, আন্তরিকতার অভাবে নোংরা দেখা যায়। এরমধ্যে সলিমুল্লাহ মুসলিম হল, বিজয় একাত্তর হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল বেশি অপরিচ্ছন্ন দেখা যায়। অথচ বেশ কয়েকটি হলে একই সংখ্যক জনবল নিয়ে প্রাধ্যক্ষের আন্তরিকতায় বেশ পরিচ্ছন্নতা লক্ষ করা গেছে।

অপরিচ্ছন্ন হল

বিজয় একাত্তর হলে প্রবেশপথে, প্রভোস্ট ভবনের রাস্তার দুইপাশে, যমুনা ব্লকের পেছনে ও ব্লকের পশ্চিম পাশের লিফটের পাশে ময়লার স্তুপ ও বাগানজুড়ে গাছের ফাঁকে ফাঁকে ময়লা পড়ে আছে। বৃষ্টি হলেই হলের সামনে পানি জমে। হলের ওয়াশরুমগুলোও যথেষ্ট অপরিষ্কার ও নোংরা। হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল বাছির বলেন, ‘আমি রোববারে ঘুরে দেখব। তারপর যা ব্যবস্থা নেওয়ার, নেব।’

বঙ্গবন্ধু হলের গেটের সামনে হলের যাবতীয় ময়লা রাখা হয়। হলে যত্রতত্র ময়লা ও পরিত্যক্ত জিনিসপত্র রাখা। এছাড়া হলের দুটো ক্যান্টিনের পিছনে, ময়লার ভাগাড় হয়ে আছে। হলের পুকুর পাড়ে দীর্ঘদিন থেকে ময়লার ভাগাড় হয়ে আছে। অন্ধকার হওয়ায় রাতে পুকুরপাড়ে গাঁজার আসর বসে।

সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে গেস্টরুমের পাশে, হলের চারপাশের ড্রেনে, মাঠে ও মাঠের পশ্চিমপাশে দোকানগুলোর দুই পাশে জায়গায় জায়গায় ময়লার স্তুপ। হলের অভ্যন্তরের ড্রেনগুলোতেও যত্রযত্র ময়লা পড়ে থাকতে দেখা যায়। হলের সম্মুখ-পূর্ব স্থানে ময়লার বেশ কয়েকটি ভাগাড়। হলের সামনের সড়কে গাছের নিচে ভাসমান শৌচাগার তৈরি হয়েছে। এতে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।

হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইকবাল মামুন রউফ বলেন, ‘আমাদের লোক কম। তবুও আমি তাদেরকে বারবার বলি। কিন্তু বড় হল হওয়ায় সম্ভব হয়ে ওঠে না—কী বলবো?’ 

মাস্টার দা সূর্যসেন হলে ক্যাফেটেরিয়ার সামনে, ভলিবল ও ব্যাডমিন্টন কোর্টে যত্রতত্র ময়লা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। হলের ভেতরে গেটের পাশে ময়লা রাখা হয়, হল ক্যান্টিনের পেছনে ও ভেতরে শহীদ মিনারের পাশে ময়লা ও বালুর স্তুপ। হলের ওয়াশরুমগুলো মান্ধাতা আমলের, বেশ নোংরা। তবে এখন রিনোভেশনের কাজ চলছে।

হলের কেয়ারটেকার মঈনুল ইসলাম বলেন, অপরিচ্ছন্নতা তিনি দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলবেন। এ ছাড়া তাদের জনবল ঘাটতি রয়েছে। তারা ইউজিসিতে চিঠিও দিয়েছেন। 

স্যার পি জে হার্টগ ইন্টারন্যাশনাল হলের পেছনে এবং সামনে পূর্বপাশে ময়লার ছড়াছড়ি। এই হলের পেছনের ভবনের পেছনেও ময়লা জমা হয়ে থাকতে দেখা যায়।

শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল তুলনামূলক পরিচ্ছন্ন। তবে ওয়াশরুমগুলো খুবই নোংরা।

মুহসীন হলে মাঠের চারপাশে ময়লার স্তুপ, পরিত্যক্ত ভ্যান রাখা, দোকান ও হল গেটে ময়লা, টিনশেডের ভেতরে ময়লার স্তুপ, ওয়াশরুমগুলো অনেক পুরাতন, স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে আছে। তবে মূল ভবনের ওয়াশরুমগুলো তুলনামূলক পরিচ্ছন্ন নজরে এসেছে। হলের প্রাধ্যক্ষ মাসুদুর রহমান বলেন, ‘মাঠের বিষয়টি আমি দেখব। আর টিনশেডের ওয়াশরুমের যত দ্রুত রিনোভেশন করা যায়, চেষ্টা করব।’

স্যার এ এফ রহমান হলের ভেতরের মাঠে যত্রতত্র ময়লা, একপাশে ময়লার স্তুপ। হলের ওয়াশরুমগুলো খুবই অপরিচ্ছন্ন নজরে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসের সামনে পশ্চিমপাশে ময়লার ভাগাড় ও পরিত্যক্ত ভ্যান রাখা। মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের দুইপাশে বালু ও ময়লার বস্তা জমা করে রাখা হয়েছে। একইভাবে শাহনেওয়াজ হোস্টেলের ভেতরেও বেশ অপরিচ্ছন্ন, পরিত্যক্ত জিনিসের ভাগাড় হয়ে আছে। 

পরিচ্ছন্ন হল

মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল বেশ পরিচ্ছন্ন। কবি জসীমউদ্দিন হলের দোকানগুলোর সামনে ও ক্যান্টিনের পাশে ময়লা দেখা যায়। তবে হল তুলনামূলক পরিচ্ছন্ন। জসীমউদ্দিন হলে ওয়াশরুম দিনেই দুইবার পরিষ্কার করা হয়। 

এছাড়া ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল, ফজলুল হক মুসলিম হল, অমর একুশে হল, কবি সুফিয়া কামাল হল, রোকেয়া হল, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, কুয়েতমৈত্রী হলগুলোর ওয়াশরুমগুলো পরিচ্ছন্ন পাওয়া গেছে।

সার্বিক বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সবাইকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও অন্য কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় সে বিষয়গুলো নিয়েও ভাবছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন

×