‘ভূপেন হাজারিকা অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন লিয়াকত আলী লাকী

প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০১৮     আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮      

অনলাইন ডেস্ক

ভারতের আসামের গৌহাটিতে কর্মশ্রী হিতেস্বর সাইকিয়া মিলনায়তনে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ‘ব্যতিক্রম মাস অ্যাওয়ারনেস এন্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশন’ আয়োজন করতে যাচ্ছে উপমহাদেশের কিংবদন্তী সঙ্গীত শিল্পী ভূপেন হাজারিকার ৯২তম জন্ম জয়ন্তী।  ভূপেন হাজারিকার ৯২তম জন্ম জয়ন্তী অনুষ্ঠানের সহযোগিতায় রয়েছে ভূপেন হাজারিকা কালচারাল ট্রাস্ট, ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ: ঢাকা এবং আসাম, আইসিসিআর  এবং আসাম সরকারের সংস্কৃতি বিভাগ। এবারের এই আয়োজনে ‘ড. ভূপেন হাজারিকা ব্যতিক্রম ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ২০১৮’ পাচ্ছেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।

লিয়াকত আলী লাকীর আদর্শিক নেতা ও গুরু ভূপেন হাজারিকা। তার কাছে গান শিখেছেন তিনি। ছাত্র জীবনের উত্তাল তারূণ্যে ভূপেন হাজারিকার গান কন্ঠে ধারণ করে সবাইকে চমক লাগাতেন সত্তর ও আশির দশকের মঞ্চমাতানো এই শিল্পী। তখন থেকেই বাংলাদেশী ভূপেন হাজারিকার তকমাটি পড়ে তৎকালীন ডাকসুর সাংস্কৃতিক সম্পাদক লিয়াকত আলী লাকীর নামের সঙ্গে। 

১৯৭৫ পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু ও ভূপেন হাজারিকার গান নিয়ে সারা বাংলায় অনুষ্ঠান করেছেন লিয়াকত আলী লাকী। একটা সময় ভূপেন হাজারিকার সাথে সাক্ষাৎ হলে তাঁর গান শুনে ভূপেন হাজারিকা বলেন ‘তুমিতোবাংলাদেশের ভূপেন হাজারিকা। 

ড. ভূপেন হাজারিকা ব্যতিক্রম ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ২০১৮ প্রাপ্তিতে লিয়াকত আলী লাকী বলেন ‘আমি আবেগ আপ্লুত। পঁচাত্তরের পরে বঙ্গবন্ধুর গান, দেশের গান, গণসঙ্গীত বিশেষ করে ভূপেন হাজারিকার গান গেয়ে সারা বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার চেয়েছি এবং বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার তার প্রতিবাদ করেছি। আজকে সেই বরেণ্য শিল্পীর নামে যে পদকটি আমাকে দেয়া হচ্ছে সেটি শুধু আমার জন্য পরম পাওয়া নয় দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্যও পরম পাওয়া’।