যেভাবে উঠে এলেন 'মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ' ঐশী

প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০১৮     আপডেট: ০১ অক্টোবর ২০১৮      

অনলাইন ডেস্ক

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ-২০১৮’র আয়োজনের চূড়ান্ত রাউন্ড অনুষ্ঠিত হলো রোববার। বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটির রাজদর্শন হলে জমকালো  আয়োজনের মধ্য দিয়ে নির্বাচন করা হয় সেরা সুন্দরী। বিচারকদের চূড়ান্ত রায়ে সেরা দশ প্রতিযোগীর মধ্য থেকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয় জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশীর নাম। এবার কেবল বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার অপেক্ষা ঐশীর।

গতবারের মতো এবারের চূড়ান্ত রাউন্ড নিয়েও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে বিতর্ক। হচ্ছে ট্রোল। পাশাপাশি সদ্য মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ হওয়া ঐশীকে নিয়ে আলোচনা সমালোচনা দু'টোই হচ্ছে। মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের সেরা সুন্দরীর যোগ্যতা নিয়ে উঠেছে প্রশ্নও।

আলোচনা-সমালোচনা যাই হোক। সেরা হওয়া ঐশীকে নিয়ে জানার আগ্রহ দেখা গেছে সবার মধ্যেই। সেরা বিজয়ী নির্বাচিত হওয়ার পর গণমাধ্যমের সঙ্গে আলোচনায় ঐশী জানিয়েছেন তার উঠে আসার গল্প।

এক প্রকার কাকতালীয়ভাবেই এই প্রতিযোগিতায় আসা ঐশী মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। এইচ এস সি শেষ করে জুলাই মাসে ঢাকায় এসেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং করার জন্য। স্বপ্ন পূরণ করতেই ঢাকায় আসা তার। ঢাকায় এসে আইএলটিএস কোচিংও করেন তিনি।

ঐশী আত্মীয়ের বাসায় থেকে পড়াশোনা করতেন। সাদামাটা একটা জীবন ছিল তার। হঠাৎ-ই শুনলেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৮-এর আবেদন চলছে। ছেলেবেলা থেকেই নিজের সৌন্দর্যের জন্য অনেক প্রশংসা পেয়েছেন । সে সৌন্দর্যের ওপর ভর করেই  নাম নিবন্ধন করেন এ প্রতিযোগিতায়। বাকিটা তো সবারই জানা। বরিশালের পিরোজপুরের মাটিভাঙার সাদাসিধে এই মেয়েটিই এখন মিস ওয়ার্ল্ড  বাংলাদেশ।

ঐশী  বলেন, 'বরিশালের একটি মফস্বলের মেয়ে হিসেবে এই সাফল্য আমার কাছে অনেক বড়। অনেক বড় দায়িত্বও আমার কাঁধে এসেছে। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সৌন্দর্য তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছি আমি, এটা ভাবতে ভালো লাগছে। আশা করছি, নিজের দেশের শিল্প, সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে মর্যাদার সঙ্গেই বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে পারবো।'

এক নজরে ঐশী:

জন্ম : বরিশালের পিরোজপুরে।

বাবা : আব্দুল হাই, বিশিষ্ট সমাজসেবী।

মা : আফরোজা হোসনে আরা, স্কুল শিক্ষিকা।

জন্ম তারিখ : ২৭ আগস্ট।

ভাই-বোন : দুই বোন। বড় বোন শশী।

শিক্ষা : চলতি বছরই এইচএসসি পাস করেছেন মাটিভাঙা ডিগ্রি কলেজ থেকে।

প্রিয় লেখক : হুমায়ূন আহমেদ।

প্রিয় বই : হুমায়ূন আহমেদের সব সাহিত্যই ভালো লাগে। হিমু ও মিসির আলী সিরিজের বইগুলো বেশি ভালো লাগে।

প্রিয় অভিনেতা : রাজ্জাকের অভিনয় তার খুব ভালো লাগে। বর্তমানে মাঝে মাঝে শাকিব খানের ছবি দেখেন।

প্রিয় অভিনেত্রী : শাবানা ও নুসরাত ফারিয়া।

প্রিয় শিল্পী : মিফতাহ জামান।

প্রিয় খাবার : ভাত, বাইম মাছ, আলুর যে কোনো তরকারি।

প্রিয় পোশাক : শাড়ি।

প্রিয় রঙ : সবুজ।