ঢাকা শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

গৃহবন্দি বৈশাখ যেভাবে কাটলো বাপ্পি, মিম, ববি ও নিরবদের

গৃহবন্দি বৈশাখ যেভাবে কাটলো বাপ্পি, মিম, ববি ও নিরবদের

বিনোদন প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২০ | ০৯:৪০ | আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০২০ | ০৯:৫৪

করোনা ভাইরাসে পুুরো বিশ্ব এখন স্থবির হয়ে আছে।  বাংলাদেশেও এ ভাইরাস ক্রমেই বিস্তার করছে। প্রতিদিন মৃত্যুর বিছিল বড় হচ্ছে। বারছে আক্রান্তেদের সংখ্যাও।  এ পরিস্থিতিতে  পহেলা বৈশাখের সব ধরনের অনুষ্ঠান/কার্যক্রম স্থগিত করেছে সরকার। সবাইকে শুধু নিজ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘরোয়াভাবে পহেলা বৈশাখ পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারের সে আহ্বানে সারা দিয়ে বাংলাদেশের সবাই ঘরে বসেই পালন করলেন  বাংলা বছরের এ প্রথম দিন। 

শোবিজ তারকারাও  বৈশাখ পালন করছেন গৃহবন্দি হয়েই। গৃহবন্দি বৈশাখ কিভাবে উদযাপন করলেন  ঢাকাই সিনেমার কয়েকজন তারকা। সে খবরই জানানো হলো এই প্রতিবেদনে

বাপ্পি চৌধুরী

সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। পুরো বিশ্বই আজ ভালো নেই। ভালো নেই আমরা কেউ। প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে সবাইকে। তারপরও বলবো আতঙ্কিত না হয়ে করোনা ভাইরাসকে রুখতে যেভাবে চলতে বলা হচ্ছে সেভাবে চলুন। জনসমাগম এড়িয়ে চলা সবচেয়ে বেশি দরকার। আজ পহেলা বৈশাখ যাচ্ছে। এ দিনটিতে আমরা কত আনন্দ করে উদযাপন করতাম। অথচ করোনার জন্য ঘরেই কাটাতে হলো আজকের দিন।  এখন ঘরে থাকাটাই আমাদের দায়িত্ব। দেশের এই পরিস্থিতিতে খুব বেশি আয়োজন করা হয়নি বাসায়। বাহারি রান্নাবান্না হয়নি। তবুও মায়ের হাতের রান্না খেয়েই বৈশাখ উদযাপন করেছি। সবার খোজ খবর নিচ্ছি। বাসায় থেকে মন খারাপ হচ্ছিলো খুবই। তবে স্বপ্ন দেখেছি নতুন এক পৃথিবীতে আমাদের  দেখা হবে, আড্ডা হবে, আমরা আবার দলবেধে হলে সিনেমা দেখতে যাবো, নববর্ষে উল্লাস করবো,হাতে হাত মেলাবো, বুকে বুক মেলাবো....

বিদ্যা সিনহা মিম

অবস্থা খুব একটা ভালো না। করোনা ভাইরাস আমাদেরে সব বন্ধ করে দিয়েছে। তব এই পরিস্থিতে মন খারাপ করে বসে থাকলে তো চলবে না। মানসিকভাবে চাঙা থাকতে হবে।  আজ বাসাতেই পহেলা বৈশাখ উদযাপন করলাম। বাসায় মা সব রকমের রান্না করেছে। যদিও আজ  বড় পরিসরে পালন হয়নি। তবুও সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি বৈশাখ পালন করতে।পান্তাভাত, ইলিশ মাছ, ডাটা শাক, পোড়া মরিচ আর ভর্তা  সবই ছিলো আজকের আয়োজনে। 

নিরব

এমন পহেলা বৈশাখ দেখতে হবে তা কখনও কল্পনাও করিনি।  পহেলা বৈশাখ মানেই তো আমাদের কাছে হইহুল্লোড় করে কাটানো। পান্তা-ইলিশ খেয়ে ছেলেরা পাঞ্জাবি আর মেয়েরা বাসন্তী রঙের শাড়ি পরে ঘুরতে বেড়িয়ে পড়া। যা এ বৈশাখে দেখা যায়নি। কারণ করোনা ভাইরাস আমাদের বাসায় বন্দি করে রেখেছে। প্রায় তিন সপ্তাহ হলো বাসায় আবদ্ধ। পহেলা বৈশাখ উদযাপন বলতে বাসাতেই হয়েছে সব। পরিবারে সঙ্গেই সময় কাটছে। আজকের দিনটিও ব্যতিক্রম ছিলোনা। সবার সঙ্গে  রান্না বান্নায় সহযোগিতা করেছি আজ। ঘরের মধ্যেই হলো বৈশাখ উদযাপন।  তবে এ পরিস্থিতি বেশি থাকবেনা। করোনা ভাইরাসের কালো মেঘ কেটে যাবে। শিগগিরই সব স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। আমরা আবার স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবো।’

ইয়ামিন হক ববি

পহেলা বৈশাখ নিয়ে ববি বলেন,প্রতি বছর বৈশাখটা একটু ভিন্নভাবে পালন করা হতো। এবার অন্যরকম পরিস্থিতি তাই বাসায় কেটেছে।  দিন দিন মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে, লকডাউনের সময় বেড়ে যাচ্ছে। সবসময় আতঙ্ক কাজ করে।  দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাসাতেই থাকব। ঘরের কাজ আর ইবাদত-বন্দেগী করে সময় পার করছি এখন। আজও একইভাবে দিন পার করেছি। কাজের কারণে আগে নামাজ পড়তে পারতাম না। প্রায়ই কাজা নামাজ পড়তে হতো। এখন ঠিক সময়ে নামাজ পড়ছি ও কোরআন তেলাওয়াত করছি।


আরও পড়ুন

×