‘আমি ঘরেই থাকছি, ড্রাইভার, নিরাপত্তাকর্মীদের অগ্রিম বেতনসহ ছুটি দিয়েছি’

প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২০     আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২০   

বিনোদন প্রতিবেদক

পৃথিবী ভালো নেই। করোনাভাইরাসের আক্রমনে পুরো বিশ্বই এখন স্থবির হয়ে পড়েছে। করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারিতে এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৯৬টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে।   বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার ছাড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মারা গেছেন ১৮ হাজার ৯০৭ জন।  আক্রান্ত হয়েছেন চার লাখের বেশি মানুষ। 

সর্বশেষ প্রাপ্ত খবরে করোনায় বাংলাদেশে আক্রান্ত হয়েছে ৩৯ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। এই পরিস্থিতিতে দেশের শোবিজ অঙ্গনের কাজও থেমে রয়েছে। এ অঙ্গনের  কোনো তারকাই এখন আর ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। পাশাপাশি ভক্ত-অনুসারীদেরও নিরাপদে থাকার জন্য সচেতনতামূলক ভিডিও প্রকাশ করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। 

এর আগে ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ভক্তদের নিরাপদ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান। তিন লেখেন, সবাই সচেতনতা অবলম্বন করুন। নিজে বাঁচুন, অন্যকে বাঁচার সুযোগ করে দিন। সৃষ্টিকর্তা সবাইকে ভালো রাখুন।'

বুধবার সমকাল অনলাইনকে শাকিব খান জানালেন গত চার দিন ঘর থেকে বের হননি এ নায়ক।   গাড়িচালক, নিরাপত্তাকর্মীসহ সবাইকে ছুটি দিয়েছেন। একঘেয়েমি কাটাতে মাঝেমধ্যে বাড়ির নিচের তলায় নিজের অফিসকক্ষে সময় কাটাচ্ছেন। 

হোম কোয়ারেন্টাইনের দিনগুলো কিভাবে কাটাচ্ছেন এ নায়ক? জানতে চাইলে শাকিব খান বলেন,  ‘মহাদুর্যোগের মধ্য দিয়ে সময় পার করছি। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোই করোনাভাইরাস ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে। আমাদের এখানে ভাইরাসটি বিস্তার লাভ করার আগেই সবাইকে সচেতন হতে হবে। এ জন্য ঘরেই থাকছি। ড্রাইভার, নিরাপত্তাকর্মীদের অগ্রিম বেতনসহ ছুটি দিয়েছি।’ কীভাবে সময় কাটছে? শাকিব বলেন, ‘টেলিভিশনে দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবরগুলো নিয়মিত দেখছি। একঘেয়েমি কাটাতে মাঝেমধ্যে বিভিন্ন দেশের সিনেমা দেখছি।’

এদিকে চলচ্চিত্রের সকল সিনেমার শুটিং বন্ধ রয়েছে। বেকার হয়ে আছেন সিনেমার দৈনিক আয় করে জীবন চালানো অল্প আয়ের সহকারী শিল্পী ও কুলাকুশলীরা। এই পরিস্থতিতে দেশের শীর্ষ তারকা হিসেবে তাদের জন্য কোন আর্থিক সাহায্য করার চিন্তাভাবন করছেন কিনা জানতে চাইলে শাকিব খান বলেন,এ ধরনের কাজে এখনই নামছি না। প্রতিটি সচ্ছল শিল্পীর উচিত আগে তাদের কাছের মানুষ যেমন ড্রাইভার, গৃহকর্মী থেকে শুরু করে চারপাশের স্বল্প আয়ের আত্মীয়স্বজনদের খোঁজখবর নেওয়া। তাঁদের পাশে দাঁড়ানো। সেটা করলেও অনেক বড় কিছু করা হয়। প্রথমে সেটাই করছি আমি। এরপর বড় ধরনের দুর্যোগ এলে সচ্ছল শিল্পীরা মিলে একত্র হয়ে একটা বড় তহবিল করা যেতে পারে।’