পাঁচ মিনিটের সুপারহিরো

প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২০   

বিনোদন প্রতিবেদক

যদি এমন হয়, একটি ওষুধ খেয়ে আপনি পাঁচ মিনিটের জন্য অতিমানবীয় ক্ষমতার অধিকারী হন তাহলে কী করবেন? আপনার ইচ্ছা যাই হোক না কেন। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অরলিন্স শহরে এমন অতিমানবীয় ক্ষমতা হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে অনেককেই। অনেকেই সেই ওষুধ গ্রহণ করেই পাঁচ মিনিটের জন্য সুপার ক্ষমতার অধিকারী হচ্ছেন। ফলে শহরজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অন্যরকম এই ওষুদের পেছনে রয়েছে এক দুষ্টচক্র। তাদের দমন করতে একজন প্রাক্তন সৈনিক আরেকজন পুলিশ নিয়ে নেমে পড়েন এক ভয়ংকর মিশনে। 

ব্যবহারকারীদের অস্থায়ী একটি বিপজ্জনক পরাশক্তি প্রদানকারী ড্রাগের পেছনের উৎসব সন্ধানে মরিয়া হন তারা। নানা কৌশল ও সম্মুখ লড়াইয়ে অপ্রত্যাশিত এই পরাশক্তিকে দমন করতে গিয়ে দানা বাঁধে জটিলতা-সংঘর্ষ। হেনরি জুস্ট এবং এরিয়েল শুলম্যানের পরিচালনায় ম্যাটসন টমলিনের চিত্রনাট্যে আসন্ন আমেরিকান সুপারহিরো চলচ্চিত্র প্রজেক্ট পাওয়ার।

ছবিতে আর্ট চরিত্রে জেমি ফক্স, ফ্রাঙ্কের ভূমিকায় জোসেফ গর্ডন-লেভিট, রবিন হিসেবে ডোমিনিক ফিশব্যাকসহ অন্য চরিত্রে তাদের সঙ্গে রয়েছেন মেশিন গান কেলি, রড্রিগো স্যান্টোরো, অ্যামি ল্যান্ডেক্কার, অ্যালেন মালদোনাদো, কায়না সিমোন সিস্মসন, অ্যান্ড্রিন। অ্যাকশনধর্মী সায়েন্স ফিকশননির্ভর ছবিটি আগামীকাল নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেতে চলেছে। সম্প্রতি ইউটিউব, আইএমডিবি ও নেটফ্লিক্সের নিজস্ব ওয়েবে প্রকাশিত হয়েছে ছবিটির ট্রেলর। ইউটিউবে ছবিটির ট্রেলরের ভিউয়ার দেখেই বোঝা যায় ছবিটি দর্শকের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে। 

১৫ জুলাই ইউটিউবে প্রকাশিত প্রায় তিন মিনিটের ট্রেলরটি ইতোমধ্যেই ত্রিশ লাখ বার দেখা হয়েছে। টান টান উত্তেজনা, অসাধারণ সব স্টান আর অতিমানবীয় এক শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কিছুটা আঁচ করা যায় ট্রেলরে। এখন দর্শক মুখিয়ে আছেন ছবিটি মুক্তির অপেক্ষায়। ২০১৭ সালে ঘোষণা করা হয়েছিল ছবিটি নির্মাণের কথা। পরের বছর মূল কুশীলবদের কাস্টে অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে এগিয়ে যায় চিত্রগ্রহণের কাজ। শুরুতে ছবির নাম নির্ধারিত না হওয়ায় অনেকে নামহীন এক চলচ্চিত্রের কাজে নেমে পড়েছিলেন। পরবর্তী সময় এ বছর মে মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় ছবিটির নাম হবে প্রজেক্ট পাওয়ার। ২০১৮ সালের অক্টোবরে মূল ফটোগ্রাফির কাজ শুরু হয়।

 মাত্র তিন মাসের মধ্যে সমাপ্ত হয় চিত্রগ্রহণের সব কাজ। যুক্তরাষ্ট্রের লুইসিয়ানা শহরের নিউ অরলিন্সের বিভিন্ন স্থানে চিত্রধারণ করা হয়। যে শহরকে ঘিরে ঘটনাচক্র সেই বহু সংস্কৃতির প্রাণবন্ত শহরের বিভিন্ন স্থান দেখতে পাবে দর্শক।