শিশুবেলাতেই একটি মোবাইল অপারেটরের বিজ্ঞাপনে মডেল হয়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন দীঘি। এরপর ‘চাচ্চু’, ‘দাদী মা’, ‘পাঁচ টাকার প্রেম’সহ একের পর এক হিট ছবিতে অভিনয় করেন।  সেই ছোট্ট দীঘি এবার চিত্রনায়িকা হয়ে অভিনয় করতে যাচ্ছেন চলচ্চিত্রে। সমকালের সঙ্গে বিস্তারিত আলাপ করেছেন দীঘি

করোনাকাল কিভাবে কাটছে?

বাসার ভেতরেই কাটছে এতোদিন। বাইরে বের হইনি একেবারে। পাঠ্যপুস্তকের বাইরে মুভি দেখে, গান শুনে, বই পড়ে সময় কাটিয়েছি। সঙ্গী হিসেবে ফেসবুক, ইউটিউব তো ছিলোই।  

সম্প্রতি শাপলা মিডিয়ার পাঁচ ছবিতে নায়িকা হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার খবর কি সত্যি?

হুম, একেবারেই সত্যি। শাপলা মিডিয়ার পাঁচ ছবিতে কিছুদিন আগে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। পাঁচটিতেই আমার বিপরীতে আছেন শান্ত খান। এর একটি হচ্ছে ‘টুঙ্গীপাড়ার মিয়া ভাই’। ছবিটির শুটিং সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই শুরু করবো। এটি নির্মাণ করছেন শামীম আহমেদ রনি। বাকীগুলোরও পর্যায়ক্রমে শুটিং হবে।

এক নায়কের বিপরীতে পাঁচ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হলেন। সিদ্ধান্তটা কি হুট করেই নেয়া?

প্রথম থেকেই আমি কোন ছবি করবো আর কোনটা করবো না তার সিদ্ধান্ত নিতেন মা। মা বেঁচে নেই। এখন আমার সব সিদ্ধান্ত নেন বাবা। শাপলা মিডিয়া এই সময়ে সবচেয়ে বড় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। সেলিম আংকেলও আমাকে মেয়ের মতো স্নেহ করেন। বাবা ভেবে দেখেছেন এই ছবিতে কাজ করলে আমার জন্য ভালো হবে। আমিও বাবার কথায় রাজি হয়েছি। তাই বলতে পারেন ভেবে চিন্তেই সিদ্ধান্ত নেয়া।

শিশুশিল্পী হিসেবেই তারকা পরিচিতি আপনার। আপনার প্রতি দর্শকদের প্রত্যাশাও তাই বেশি। এই প্রথম ছবি দিয়ে কি সে প্রত্যাশার জায়গা রাখতে পারবেন?

এটা ঠিক আমার উপর দর্শকদের ভালো একটা প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সে প্রত্যাশা যেনো পূরণ করতে পারি প্রথম ছবিতেই সে চেষ্টা করবো। পরেরটা আল্লাহ ভরসা।

নায়িকা হিসেবে ক্যারিয়ারের শুরুতেই নবাগত নায়কের বিপরীতে পাঁচ ছবিতে চুক্তি। বিষয়টি ক্যারিয়ারে জন্য কতটা ফলপ্রসূ হবে বলে মনে করছেন?

এখানে একটা বিষয় ক্লিয়ার করা দরকার। সেটা হচ্ছে, এই পাঁচ ছবি কিন্তু পর পর না। এর মধ্যে অনেক গ্যাপ থাকবে। একটা ছবি তো আর একদিনে শুটিং শেষ হবে না। এর মাঝে অন্য ছবিতেও কাজ করার সুযোগ থাকবে। তাই শুধু শান্তর বিপরীতেই যে নায়িকা হিসেবে থাকবো তা কিন্তু নয়। অন্য নায়কের বিপরীতেও থাকবো। এ ছাড়া পর পর একই নায়কের সঙ্গে অভিনয় করে জুটি দাঁড়ানোর  একটা বিষয় কিন্তু পৃথিবীর সব ইন্ডাস্ট্রিতেই রয়েছে। বিষয়টি নেতিবাচক নয়  ইতিবাচক হিসেবেই দেখছি আপাতত।