সাবেক স্বামী পারভেজ সানজারিকে অ্যাসিড নিক্ষেপে হত্যা চেষ্টার মামলায় জামিন পেয়েছেন কণ্ঠশিল্পী মিলা। বুধবার আদালত ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন দেন মিলাকে। 

বুধবার ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে তিনটার দিকে আইনজীবী শাহীনুর ইসলামের মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করেন মিলা। শুনানি শেষে বিচারক দিলারা আলো চন্দনা মুচলেকায় তাকে জামিন দেওয়া হয়। 

২০১৯ সালের ২ জুন সাবেক স্বামীর ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপের মামলায় সিআইডির তদন্তে অভিযুক্ত হন সংগীত শিল্পী মিলা ও তার সহযোগী কিম। এরপর ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর সিআইডি আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। পরে ২৮ জানুয়ারি ঢাকার অ্যাসিড দমন ট্রাইব্যুনাল ওই চার্জশিট আমলে নিয়ে উভয় আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও পলাতক থাকায় ক্রোকি পরোয়ানা জারি করেন।

এই মামলায় মামলায় ৯ ফেব্রুয়ারি মিলার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালত।  পরে মিলাকে গ্রেফতারের জন্য খুঁজতে থাকে পুলিশ। এরই মধ্যে বুধবার আদালতে আত্মসমর্পন করে দশ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন নিলেন তিনি।


২০১৭ সালের ১২ মে সংগীতশিল্পী মিলা ও পাইলট পারভেজ সানজারি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। কিন্তু বিয়ের কিছু দিনের মধ্যেই তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে। দাম্পত্য কলহের জেরে ওই বছরই ৫ অক্টোবর স্বামী সানজারির বিরুদ্ধে যৌতুক আইনে একটি মামলা করেন মিলা। ওই মামলায় সানজারি জামিন পাওয়ার পর ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি মিলাকে তালাক দেন।

২০১৯ সালের ২ জুন সংগীতশিল্পী মিলার সাবেক স্বামী পারভেজ সানজারি দুর্বৃত্তদের ছোড়া অ্যাসিডে দগ্ধ হন। ওই ঘটনায় সানজারির বাবা এসএম নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় মিলা ও তার এক সহযোগীকে আসামি করে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় সম্প্রতি মিলার বিরুদ্ধে আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মিডিয়া সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, মিলা ও সানজারির মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হওয়ার পর তারা একে অপরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করেছেন। মিলা তার স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক আইন ছাড়াও ডিজিটাল আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। অপরদিকে, সানজারি তার সাবেক স্ত্রী মিলার বিরুদ্ধে প্রথম বিয়ের তথ্য গোপন করার অভিযোগে আরেকটি মামলা দায়ের করেছেন।

উল্লেখ্য, সংগীতশিল্পী মিলার প্রথম বিয়ে হয় ২০০২ সালের ৩১ জুলাই, আবির আহম্মেদ নামে এক যুবকের সঙ্গে।

বিষয় : কণ্ঠশিল্পী মিলা জামিন সংগীত শিল্পী

মন্তব্য করুন