বলিউড অভিনেতা সোনু সুদের দাতব্য কাজের কথা কমবেশি সবারই জানা। বিশেষ করে করোনাকালে সাধারণ মানুষের ‘রবিনহুড’ হয়ে ওঠেন সোনু সুদ। শোনা যায়, তার বাড়ির সামনে সাহায্যের আশায় গেলে কেউ খালি হাতে ফেরত যান না। এই সোনু সুদের বিরুদ্ধেই কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ এনেছে আয়কর দপ্তর।

গত মঙ্গলবার দিল্লি সরকারের পক্ষ থেকে সোনু সুদকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেন্টরশিপ প্রোগ্রামের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। ঠিক তার পরই সোনুর অফিসে এবং বাড়িতে হানা দেন আয়কর দপ্তরের কর্মকর্তারা।

শুক্রবার আয়কর দপ্তর থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, সোনু সুদ ২০ কোটি টাকা কর ফাঁকি দিয়েছেন। গত মঙ্গলবার থেকে অভিনেতার বাড়ি ও অফিসে একাধিকবার তল্লাশি চালিয়েছেন আয়কর দপ্তরের কর্মকর্তারা। তারপরই এই তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। তবে এই নিয়ে প্রথমে কোনো মন্তব্য করেননি সোনু । তবে ঘটনার পাঁচ দিন পর সামাজিক মাধ্যমে সোনু সুদ স্পষ্টই জানিয়ে দিলেন, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ কতটা সত্য।

সামাজিক মাধ্যমে সোনু সুদ লিখেছেন সব সময় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করার প্রয়োজন পড়ে না। সময়ও সব কিছুর উত্তর দিয়ে দেয়। আমি এতদিন ধরে দেশের মানুষদের জন্য যা করে আসছি তা একেবারেই অন্তর থেকে, দেশের প্রতি ভালবাসা থেকে। আমার ফাউন্ডেশনের প্রতিটি পয়সা সাধারণ মানুষের জীবন বাঁচাতেই কাজে লাগবে। শুধু তাই নয়, আমি অন্যদেরও বলেছি সাধারণের পাশে দাঁড়াতে। আমি গত কয়েকদিন কিছু ব্যক্তিগত কারণে ব্যস্ত ছিলাম। তাই আপনাদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে পারিনি। ফের আমি এসে গিয়েছি।

গত বুধবার সোনুর অফিসসহ মোট ৬টি জায়গায় তল্লাশি চালায় আয়কর দপ্তর। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে অভিনেতার মুম্বাইয়ের বাড়িতে তল্লাশি চালান অফিসাররা। তারপর শুক্রবারই অভিনেতার বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকার কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।

আয়কর দফতরের বিবৃতিতে জানানো হয়, নিজের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার জন্য বিদেশ থেকে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা সংগ্রহ করেছিলেন সোনু। যা ভারতীয় আইনে নিষিদ্ধ।