শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান, আরবাজ মার্চেন্ট ও মুনমুন ধামেচা মিলে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন, এর কোনো প্রমাণ পাননি বোম্বে হাইকোর্ট।

শনিবার আরিয়ানের জামিন আদেশ প্রকাশ করা হয়। সেখানে বোম্বে হাইকোর্ট বলেন, মাদক মামলায় প্রাথমিকভাবে আরিয়ানের জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এছাড়া এখনও এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যা থেকে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে, আরিয়ান, আরবাজ ও মুনমুন কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। 

আদালত জামিন আদেশে এও বলেন, অভিযুক্তদের কাছে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য মাদক পাওয়া গেছে, তার অর্থ এই নয়, তাদের অপরাধেরও ইচ্ছে ছিল।

আরিয়ানদের বিরুদ্ধে দেশটির কেন্দ্রীয় মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (এনসিবি) যে জবানবন্দি জমা দিয়েছিল, তা নিয়ে আদালত বলেছেন, পুলিশের নেওয়া জবানবন্দির কোনো আইনি ভিত্তি নেই। তা কেবল তদন্তের প্রয়োজনে ব্যবহার হতে পারে। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জামিন আদেশে বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি লিখেছেন, আরিয়ান খানের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে এমন কিছু আপত্তিকর পাওয়া যায়নি, যার ওপর ভিত্তি করে বলা যায়, আরবাজ ও মুনমুনের সঙ্গে মিলে আরিয়ান কোনো ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করছিলেন। আরিয়ান, আরবাজ ও মুনমুন একই প্রমোদতরীতে ছিলেন ঠিকই, কিন্তু কেবল এই যুক্তিতেই তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগের ভিত্তি নেই।

গত ২ অক্টোবর মুম্বাই উপকূলের একটি প্রমোদতরী থেকে আরিয়ান, মুনমুন, আরবাজসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করেন এনসিবির তৎকালীন জোনাল ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়ে। পরদিন তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। নিম্ন আদালতে একাধিক বার জামিনের আরজি খারিজ হওয়ার পর বোম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আরিয়ানের আইনজীবী। সেখানে শর্তসাপেক্ষে জামিন পান শাহরুখপুত্র। সেই জামিন আদেশই প্রকাশ পেয়েছে শনিবার।

গত ৩০ অক্টোবর বাড়ি ফেরেন আরিয়ান। তারপর থেকে প্রতি শুক্রবার এনসিবি কার্যালয়ে হাজিরা দিচ্ছেন তিনি।