বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএফডিসি) বইছে নির্বাচনের হাওয়া। শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে ঘিরে আজ  দিনভর সরগরম ছিলো এফডিসি। চলচ্চিত্রের শিল্পীরা নেমেছেন নির্বাচনের মাঠে। আজ ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন।

নির্বাচন উপলক্ষে দুপুরের পর থেকেই শুরু হয় ব্যান্ডের পার্টির বাদ্যেল তালে তালে শিল্পীদের আগমণ। বেলা তিন বাজতে বাজতেই শিল্পীদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে এফডিসি।

আগামী ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী ২০২২-২৩ মেয়াদের এই দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। এবার নির্বাচনে একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুন ও মিশা সওদাগর-জায়েদ দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।  পাশাপাশি স্বতন্ত্রভাবে কার্যনির্বাহী পদে লড়ছেন নাসরিন। 

ঘোষিত দুই প্যানেলেই ব্যান্ড পার্টি বাজিয়ে মনোনয়ন জমা দেন  প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে। বেলা তিনটায় রিয়াজ,নিরব,ইমন, সাইমন ও জেসমিনসহ একঝাঁক শিল্পীদের নিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে শিল্পী সমিতির অফিসে প্রবেশ করেন ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল।

মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমরা যে উদ্দেশ্যে নির্বাচনে এসেছে জয়ী হয়ে যে লক্ষ্য যেনো পূরণ করতে পারি।

নিপুণ বলেন, ভালো লাগছে উৎসসমুখর পরিবেশে মনোনয়ন জমা দিতে পেরে। আশা করি নারী সেক্রেটারি নির্বাচনের মাধ্যমে শিল্পী সমিতিতে নারী ক্ষমতায়ন জোরদার হবে। আমিও শিল্পীদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু করার সুযোগ পাবো।'

বিকাল ৫টায় মনোনয়নপত্র জমা দেন মিশা সওদাগর-জায়েদ খান প্যানেল। এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন, রোজিনা, সূচরিতা, অঞ্চনা, মৌসুমী, অরুনা বিশ্বাস, রুবেল, ডিপজল, ওমর সানী ও জয় চৌধুরীসহ অনেকেই। 

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে পুরো এফডিসিতে চক্কর দিতে দেখা গেছে মিশা সওদাগর ও জায়েদ খানকে। তার ব্যান্ড বাজিয়ে শিল্পী সমিতির প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। 

মনোয়নপত্র জমা দেওয়ার পর মিশা সওদাগর বলেন, আমি শিল্পীদের সেবা করতে এসেছি, সেবা করে যাবো। সবাই আমাদের পাশে থাকবেন।'

জায়েদ খান বলেন, আমি বরাবরই বলে এসেছি এটা নির্বাচন না এটা পালা বদলের পালা। শিল্পীরা উৎসবমূখর পরিবেশে ভোট দিয়ে তাদের যোগ্য নেতাকেই বেছে নেবে। নির্বাচনে যেই পাশ করবে তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে  নেওয়া হবে।'

এবার নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অভিনেতা পীরজাদা হারুন। তার সঙ্গে থাকবেন বিএইচ নিশান ও বজলুর রাশীদ চৌধুরী। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যানের ভূমিকায় দেখা যাবে পরিচালক সোহানুর রহমান সোহানকে। এই বোর্ডের সদস্য হিসেবে আছেন মোহাম্মদ হোসেন জেমী ও মোহাম্মদ হোসেন।