বিশিষ্ট অভিনেতা আলমগীর ফৌজদারি আইনে মিশা-জায়েদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানালেন। মঙ্গলবার ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুন পরিষদের পরিচিতি সভায় নিজের বক্তব্যে একথা জানান তিনি।

আলমগীর বলেন, মিশা-জায়েদ প্যানেলের সাধারণ সম্পাদককে দেখলাম ফাইল তুলে দেখাচ্ছেন আর বলছেন, 'দেখুন এখানে আলমগীর ভাইদের স্বাক্ষর আছে। আমি ওই ফাইলটা একটু দেখতে চাই। তারা ফটোকপির মতো কিছু একটা হয়তো করেছে, আমি এখনও জানি না কি করেছে। আর আমি এটার জন্য ওদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কেস করবো।'

আলমগীর আরও বলেন, ’ওরা সব সময় নাকি আমাদের প্রশাসনের ভয় দেখায়। অনেক সময় অনেক বাজে কথা বলে, অনেক মিথ্যা কথা বলে। এবার বোধ হয় একটু ভুল করেছে। আমি উজ্জ্বল (নায়ক উজ্জ্বল) ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছি, একদম সিরিয়াসলি আমি এর অ্যাকশন নেবো। দরকার হলে একা নেবো।’

আগামী ২৮ জানুয়ারি  এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ১৭ তম ভোট। এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। একটি কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল অন্যটি মিশা-জায়েদ প্যানেল। 

এবারের নির্বাচনে বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে শিল্পী সমিতি থেকে ভোটাধিকার হারানো ১৮৪ জন শিল্পী। সমিতির বিগত মিশা-জায়েদ কমিটি এই ১৮৪ জনের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়। তবে মিশা-জায়েদের দাবি, তাদের একক সিদ্ধান্তে ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়নি। সমিতির ২১ জন কেবিনেট মেম্বার ও উপদেষ্টা কমিটির সম্মতিতেই বাদ দেওয়া হয়েছে তাদের।

ওই উপদেষ্টা কমিটিতে ছিলেন চিত্রনায়ক আলমগীর, ফারুক, সোহেল রানা ও ইলিয়াস কাঞ্চন। আর কেবিনেট মেম্বারে ছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ ও নায়িকা নিপুণ। জায়েদের দাবি, ভোটার তালিকা থেকে তিনি একা কাউকে বাদ দেননি। সবার সিদ্ধান্তেই বাদ দেওয়া হয়েছে। বাদ দেওয়ার ওই কাগজে সবার স্বাক্ষরও রয়েছে।

সেই কাগজ গত ২৩ জানুয়ারি মিশা-জায়েদ প্যানেল পরিচিত সভায় সবার সামনে তুলে ধরেন জায়েদ খান। পাশাপাশি গণমাধ্যমেও বিষয়টি প্রচার করতে বলেন।