যশোরে আজ বুধবার থেকে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী গণটিকা কার্যক্রম। সকাল ৯টায় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। দুই দিনে ১০ হাজার জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে অতিরিক্ত লোক এলেও দেওয়া হবে। এখানে টিকা নেওয়ার জন্য লাগবে না অনলাইন রেজিস্ট্রেশন। যশোরে বসবাস করেন এমন সনদ থাকলেই টিকা নিতে পারছেন সবাই।

সিভিল সার্জন ডা. বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস বলেন, যশোরের বাসিন্দা যারা পূর্বে টিকা নেননি তাদেরকে টিকার আওতায় আনতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন অবশ্যক নয়। জাতীয় পরিচয়পত্র, চেয়ারম্যান বা কাউন্সিলার কর্তৃক সনদ ও নাগরিক সনদপত্র দেখিয়ে টিকা নিতে পারছেন যে কেউ। আজ গণটিকা কার্যক্রম সহজ করে দেওয়া হয়েছে।

সিভিল সার্জন আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য যশোরে শতভাগ মানুষকে টিকার আওতায় নিয়ে আসা। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত টিকা আছে। যারা টিকা নিতে চাইবে সবাইকে টিকা দেওয়া হবে। এই দুই দিনে ১০ হাজার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও এর বেশি যারা আসবে সবাইকে টিকা দেওয়া হবে।

যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেওয়া হচ্ছে টিকা। যার জন্য সেখানে পাঁচটি বুথ করা হয়েছে। প্রতিটি বুথে ৫ জন করে দায়িত্ব পালন করবেন। এদের মধ্যে দুইজন নার্স ও তিনজন করে স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করছেন।

সিভিল সার্জন অফিস জানায়, যশোরে এ পর্যন্ত ৩২ লাখ ২২ হাজার ৬১২ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ডোজ ১৯ লাখ ৪৯ হাজার ৫০৯ জন, দ্বিতীয় ডেজ ১২ লাখ ৪৪ হাজার ৯৯ জন ও তৃতীয় ডোজ নিয়েছেন ২৯ হাজার চারজন।