সোহানুর রহমান সোহান। চলচ্চিত্র নির্মাতা। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এফডিসির চলমান সংকট ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় তার সঙ্গে-

চলচ্চিত্রের ১৭টি সংগঠনের আন্দোলন চলছে এফডিসিতে। এটি কতটা যৌক্তিক বলে মনে করছেন?
আমাদের দাবি-দাওয়া যৌক্তিক বলেই তো চলচ্চিত্র-সংশ্নিষ্ট সংগঠনের সদস্যরা মিলে আন্দোলনে নেমেছি। এফডিসির এমডির অপসারণের দাবি নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। এফডিসিতে কাজের পরিবেশ নেই। গত চার দশকে এমন জঘন্য অবস্থা কখনও দেখিনি। আমাদের কর্মসূচিতে চলচ্চিত্রের সব মানুষই একাত্মতা প্রকাশ করছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব। আন্দোলন সফল করতে আরও কর্মসূচি আসছে।

নতুন কিছু দাবিও যুক্ত হচ্ছে। বরেণ্য অভিনেতা আলমগীরকে এফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক করার দাবি তুলেছেন চলচ্চিত্র কর্মীরা...
এটা আমাদের সবারই দাবি। তাকে এমডি হিসেবে চাওয়া আমাদের এখন আর মৌখিক দাবি নয়। ১৭ সংগঠনের পক্ষ থেকে শিগগিরই তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে আলমগীর সাহেবকে এফডিসির এমডি পদে পদায়নের জন্য লিখিত আকারেও দাবি পেশ করব। চলচ্চিত্রে আলমগীর ভাইয়ের মতো মন-মানসিকতার মানুষ কমই আছেন। সবার বিপদের সাথী তিনি। একজন সাংগঠনিক মানুষ। চলচ্চিত্রের দুর্দশা কাটাতে বর্তমানে এমন একজন মানুষের খুব প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি।

পরিচালক সমিতির সাংগঠনিক কার্যক্রম কেমন চলছে?
ভালোই। মৃতপ্রায় চলচ্চিত্র শিল্পকে দাঁড় করানোর স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছি। যদিও কাজটি কঠিন; অনেক পরিশ্রম করতে হবে। প্রযোজকের অভাবে ভালো ছবি নির্মাণ এখন কমে গেছে। যখন আমাদের দেশে ভালো ভালো গল্পের চলচ্চিত্র নির্মাণ হবে, তখন সেই ছবির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারও আমরা ধরতে পারব।

নতুন মুখের সন্ধানে কার্যক্রম নিয়ে কী ভাবছেন?
এটা অনেক আগেই শুরু হয়েছিল। মাঝে নানা কারণে এর যাত্রা ব্যাহত হয়েছে। আশা করছি, করোনার প্রকোপ কমলে আবারও নতুন মুখের কার্যক্রম শুরু হবে।

'স্বপ্নের রাজকুমার' ছবির কাজ কতদূর এগিয়েছে?
করোনার কারণে এখনও ছবির কাজ শুরু করতে পারিনি। এটি যেহেতু রোমান্টিক ছবি, তাই নতুন জুটি নিয়ে আবারও সামনে আসতে চাই। আশা করছি, শিগগিরই ছবিটির বিষয়ে সবাইকে জানাতে পারব।