বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না জানতে চেয়ে দেয়া রুলের শুনানি আজ হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু তা পিছিয়ে সোমবার করা হয়েছে। 

বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চে গতকাল জায়েদের পক্ষে আংশিক শুনানি করা হলে পরবর্তী শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু আজ আর শুনানি হয়নি। পরবর্তী শুনানির জন্য সোমবার দুপুর ২টায় সময় নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।

আদালতে জায়েদ খানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আহসানুল করিম ও নাহিদ সুলতানা যুথি। আর নিপুণের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান।

গত ২৮ জানুয়ারি শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে ১৭৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। নিপুণ আক্তার পান ১৬৩ ভোট। এরপর টাকা দিয়ে ভোট কেনাসহ একাধিক অভিযোগ আনেন নিপুণ।। পরে আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্তে জায়েদের পদ বাতিল করে নিপুণ আক্তারকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়।

এরপর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন জায়েদ। হাইকোর্ট আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্ত স্থগিত করলে পদ ফিরে পান তিনি। পরে আপিল আবেদন করেন নিপুণ। ওই আপিল শুনানি নিয়ে হাই কোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেছিলেন চেম্বার জজ আদালত।

একইসাথে ওই পদের উপর স্থিতাবস্থা দেয়া হয়। পরে আপিল বিভাগ চেম্বার জজ আদালতের আদেশ বহাল রেখে হাইকোর্টে রুল শুনানি করতে বলেন।


উল্লেখ্য, জায়েদ খান ও নিপুণ আক্তার উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় সাধারণ সম্পাদক পদটি আপাতত শূন্য রয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের চেম্বার আদালত ওই পদে স্থিতাবস্থা জারি করে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। সেখানেই চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে।