১৯৯৯ সালের ২৮ মে মুক্তি পায় সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ছবি ‘অনন্ত ভালোবাসা’। এই ছবির মাধ্যমে রূপালি পর্দায় যাত্রা শাকিব খানের। আজ ক্যারিয়ারে ২৩ বছর পূর্ণ করলেন তিনি। দুই দশকের পথ চলায় তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে একজন সফল অভিনেতা। কেউ তাকে 'সেরা নায়ক', কেউ 'সুপারস্টার', কেউ 'কিং খান' বা রাজকুমার বিশেষণে বিশেষায়িত করেন।

শাকিব খানের আসল নাম মাসুদ রানা। চলচ্চিত্রে আসার পর হয়ে ওঠেন শাকিব। পরের ইতিহাস জানা সবার। সাফল্য তাকে এত উচ্চতায় নিয়ে গেছে যে, ভক্তরা নামে নয়, বিশেষণে ডাকতেই আনন্দ পান। 

এই অবস্থানে আসার জার্নিটা মোটেও মসৃণ ছিলনা। চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে নানা ঘাত প্রতিঘাত মোকাবেলা করে এই অবস্থান অর্জন করেন শাকিব। নারায়ণগঞ্জ থেকে এফডিসি, এফডিসি থেকে কাকরাইল, পরিচালকদের দুয়ারে দুয়ারে হানা- সবই করেছেন। অবশেষে পেয়েছেন সফলতা।

ক্যারিয়ারের ২৩ বছরপূর্তির এই দিনে নিজের সংগ্রামের কথা স্মরণ করলেন আবারও। সেই সঙ্গে ভক্তদের ভালোসার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বললেন বাংলা সিনেমার উন্নয়নে আগের মতোই কাজ করে যাবেন। ভক্তদের খুশি করতে নিজের সেরাটাই দিয়ে যাবেন তিনি। 

শনিবার দুপুরে শাকিব তার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে লিখেন, ‘শুরুতে জানতাম না আমার ক্যারিয়ার কোন দিকে যাচ্ছে। প্রথমদিকে আমার অভিনীত চলচ্চিত্রগুলোও খুব বেশি সাফল্য পায়নি, তারপরও হাল ছাড়িনি। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছি, ব্যর্থতাকে সাফল্যের মতো প্রাধান্য দিয়েছি।’

আজকের অবস্থানে আসার পেছনে কোন বিষয়গুলো বেশি কাজে দিয়েছে তার উল্লেখ করে শাকিব বলেন, ‘আমি সবসময় কঠোর পরিশ্রম, কাজের প্রতি আন্তরিকতা ও সততায় বিশ্বাসী। হয়তো এ কারণেই আজ এই অবস্থানে পৌঁছেছি। আমি আনন্দিত এই ভেবে যে, আমার কাজের মাধ্যমে মানুষকে বিনোদিত করতে পেরেছি এবং তাদের খুশি করতে পেরেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘অভিনয় জীবনে পর্যন্ত যেসব পরিচালক, প্রযোজক, সহশিল্পী এবং ক্যামেরার পেছনে থাকা কলাকুশলীর সঙ্গে কাজ করেছি সবাইকে ধন্যবাদ। আমার ২৩ বছরের ক্যারিয়ারে তাদের অবদান অসামান্য! বিশেষভাবে আমি আমার দর্শকদের কাছে কৃতজ্ঞ; যারা আমার সকল শক্তি ও অনুপ্রেরণার উৎস, তারা আমাকে এতোগুলো বছর ভালবাসা এবং সম্মান দিয়ে যাচ্ছে। আমার পরিবারের কাছেও কৃতজ্ঞ, তাদের চিরস্থায়ী সমর্থনের জন্য। সবার জন্য হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা।’