ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের পুকুরে সাঁতার কাটতে গিয়ে একই হলের আবাসিক শিক্ষার্থী পলাশ আহমেদের মৃত্যু হয়েছে।  রোববার দুপুর ১২ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পলাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি জামালপুর জেলায়।

ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের প্রাধ্যক্ষ ও সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুর রহিম। তিনি বলেন, হলের পুকুরে এক শিক্ষার্থী গোসলে নেমে ডুবে যায়। পরে তার বন্ধু ও হলের শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মো. আলাউদ্দিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে নিয়ে আসা হয়েছিল। গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার উপপরিদশর্ক (এসআই) আরাফাত ইবনে শফিউল্লাহ বলেন, ৯৯৯ এর মাধ্যমে আমরা খবর পাই হলের পুকুরে এক শিক্ষার্থী ডুবে গেছে। তবে আমরা ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেওয়ার পরপরই শুনতে পাই তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। মৃতদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক শিক্ষার্থী জানান, পলাশ বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলার পর পুকুরে গোসলে করতে নামেন এবং সাঁতার কাটতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যান। পরবর্তীতে আশেপাশের শিক্ষার্থীদের দৃষ্টিগোচর হলে তারা তাকে সেখান থেকে তুলে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করেন। সেখানে তিনি মারা যান।

পলাশের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া পড়েছে তার বন্ধুমহলে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে পোস্ট করছেন৷