সাবেক স্বামী জনি ডেপের বিরুদ্ধে নিবন্ধ প্রকাশের মাধ্যমে অ্যাম্বার হার্ড তার বিরুদ্ধে মানহানি করেছেন বলে প্রমাণ পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জুরি আদালত। এ নিবন্ধে অ্যাম্বার দাবি করেন, তিনি পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়েছে।

বিচারকরা অ্যাম্বার হার্ডকে জনি ডেপের মানহানির ক্ষতিপূরণের জন্য ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১২ মিলিয়ন ইউরো) দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। জনি ডেপ দাবি করে আসছিলেন, তার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ করা হয়েছে সেগুলো সঠিক নয়। খবর বিবিসির। 

এদিকে ৩৬ বছর বয়সি অ্যাম্বার ডেপের বিরুদ্ধে তিন অভিযোগের একটিতে জয় পেয়েছেন।  এ জন্য তাকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তারকা এ দম্পতির বিচ্ছেদ হয় ২০১৭ সালে। তাদের কলহকপূর্ণ সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত আদালত পর্যন্ত গড়ায়।

প্রায় ছয় সপ্তাহ ধরে ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্সের আদালত ডেপ ও অ্যাম্বারের বিয়ে ও অসুখী সমাপ্তির বিস্তারিত শোনেন।

জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা ইউক্রেনের যুদ্ধের চেয়ে ডেপ ও অ্যাম্বারের মধ্যে আইন লড়াইয়ের বিষয়ে বেশি আগ্রহী ছিলেন।

এ শুনানি টেলিভিশনে সরাসরি দেখানো হয়েছিল ও লাইভস্ট্রিম করা হয়েছিল— এ শুনানি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছেন শত কোটি ব্যবহারকারী।

বুধবার বিচারকরা সিদ্ধান্তে উপনীত হন, বিয়ে নিয়ে অ্যাম্বারের বিবৃতি ‘মিথ্যা’ ছিল এবং ‘বিদ্বেষের’ বশবর্তী হয়ে নাটক করেছেন। 

একই সঙ্গে তারা খুঁজে পেয়েছেন, ডেপও অ্যাম্বারের মানহানি করেছেন। ২০২০ সালে ডেপের আইনজীবী ডেইলি মেইলে এক বিবৃতিতে অ্যাম্বারের নির্যাতনের অভিযোগকে ধাপ্পাবাজি বলে অভিহিত করেছিলেন।

যখন সাত বিচার রায় ঘোষণা করেন তখন আদালতের বাইরে থেকে ‘জনি, জনি, জনি’ বলে স্লোগান দেওয়া হয়।

এদিন ডেপ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

বুধবার এক বিবৃতিতে ডেপ বলেন, ‘জুরি আমাকে আমার জীবন ফিরিয়ে দিয়েছেন। আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ।’

ল্যাটিন ভাষায় তিনি বলেন, ‘সত্য কখনও বিনষ্ট হয় না।’