গতকালই কলকাতা থেকে কফিবন্দি হয়ে মুম্বাই আনা হয় প্রখ্যাত গায়ক কেকের মরদেহ। আজ মুম্বাইয়ে ভারসোভা শ্মশানে কেকের শেষকৃত্যে সম্পন্ন হয়। ছেলে নকুলের হাতের মন্ত্রপুত আগুনে শেষকৃত্য শেষ হয় তার। 

এদিকে কেকের অকাল মৃত্যুর খবরে শোকস্তব্ধ গোটা দেশ। শেষকৃত্যের সকাল থেকেই গায়কের ভারসোভার বাড়িতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। কেকের অন্তিম দর্শনের জন্য হাজির ছিলেন বলিপাড়ার সঙ্গীত জগতের রথী-মহারথীরা। প্রাণের বন্ধুকে বিদায় জানাতে এদিন পৌঁছেছিলেন অভিজিৎ, শ্রেয়া ঘোষাল, শংকর মহাদেবনরা। মাত্র ৫৩ বছর বয়সেই কেকের সুর চিরতরে থেমে যাবে, তা কেউ বুঝতে পারেননি! এদিন সবার চোখই ছিল অশ্রুসজল। 

এদিন দুপুর ১টার পর ছেলের কাঁধে চড়ে শেষবারের মতো ভারসোভার বাড়ি থেকে বার হন কেকে। ফুল-মালা-চন্দনে সাজানো কেকের দেহ। যেন গভীরঘুমের দেশে রয়েছেন গায়ক। তার মৃত্যু নিয়ে এত বিতর্ক, এত প্রশ্ন- কিন্তু তিনি এখন ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।

কলকাতায় দুই দিনের কনসার্টে মঙ্গলবার (৩১ মে) দ্বিতীয় দিন মঞ্চ মাতিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন কেকে। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মাত্র ৫৩ বছর বয়সেই এই সুরের যাদুকরের জীবন প্রদীপ নিভে গেল। ধারণা করা হচ্ছে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে ভারতসহ পুরো বিশ্বের অনুরাগীদের মনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

বুধবার (০১ জুন) কেকেকে পশ্চিমবঙ্গের সরকারের পক্ষ থেকে রবীন্দ্র সদনে গান স্যালুটে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে রাতেই মুম্বাই নিয়ে যাওয়া হয় তার মরদেহ।