চলচ্চিত্রের মানুষদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে বেশ বিরক্ত একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা ও চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন। বিশেষ ওমর সানী-মৌসুমী ও জায়েদ ইস্যু নিয়ে তার বিরক্তের শেষ নেই যেনো। যেখানে যাচ্ছেন সেখানেই ইস্যুটি নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নবাণে জর্জরিত হচ্ছেন।

তবে চচলমান এই ইস্যু নিয়ে প্রশ্ন করলেই উত্তরে জানিয়ে দেন, আমি এই ফাঁদে পা দেব না।  তবে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর না দিলেও শিল্পীদের উদ্দেশ্য অনুরোধ করে বলেন, রাগ, গোসসা দূরে শহনশীল হোন।  

ওমর সানী-জায়েদের ঘটনাটি নিয়ে ‘বেদের মেয়ে জোসনা’খ্যাত এই অভিনেতা বলেন, ‘আমি ওই ব্যাপারটিকে ফোকাসে আনতে চাচ্ছি না। আপনারা দেখেছেন, সব সময় আমি পজিটিভ কথা বলি। আমাকে যখনই একটি সিনেমার প্রমোশনের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, শত ব্যস্ততার মধ্যেও আমি যাচ্ছি এবং আপনারা দেখেননি যে ওই একটা ছবির সঙ্গেও আমি যুক্ত আছি। আমি ছবিগুলো পেট্রোনাইজ করছি কিন্তু। আমি চলচ্চিত্রের উন্নয়নের জন্য কথা বলছি। আমি কোনো একটা বিষয় নিয়ে চলচ্চিত্রকে অন্যদিকে ফোকাস নিতে চাই না। ’

তবে আমি মনে করি, আমাকে দেখে শিখুক মানুষ, ‘ওইভাবেই পজিটিভলি চলুক। সেভাবে চলচ্চিত্রকে ভালোবাসুক। চলচ্চিত্রকে যখন ভালোবাসবে তখন ব্যক্তিগত রাগ গোসসা, এগুলো দমন করারও চেষ্টা করবে। আমার কি রাগ নাই, আমার কি গোসসা নাই? আমি তো কাউকে হার্ট করছি না। আমি কারো সম্পর্কে বাজে কথা বলছি না। কেন বলছি না? কারণ আমি শিল্পী সমিতিকে নেতৃত্ব দিচ্ছি। আমি যদি একটা বাজে কাজ করি, তাহলে সেটি যেভাবে প্রচারিত হবে, তা চলচ্চিত্রের জন্য ক্ষতি হবে। ’

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘আমার চলচ্চিত্রের মানুষগুলোর প্রতি অনুরোধ, আপনারা এমন কিছু করবেন না, কারণ আমি প্রশ্নবাণে জর্জরিত হচ্ছি। আপনারা এমন কিছু করবেন না, যেটা আমার মতো চলচ্চিত্রের মানুষ, আমার সিনিয়ররা, যারা এখানে কাজ করেছেন; আজকে নাই, এখান থেকে চলে গেছেন এবং যে সিনিয়ররা আছেন, তাদেরকে যেন মানুষ প্রশ্ন না করে, বোধ হয় এই মানুষগুলো  ওই রকম। এটাই আমার অইনুরোধ। কথাবার্তা, চলাফেরায়, আচার-আচরণে আপনারা সংযত হবেন। ’


গত শুক্রবার খল অভিনেতা ডিপজলের বড় ছেলের বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় অংশ নেন ওমর সানী। সেখানে তিনি জায়েদ খানকে চড় মেরেছেন বলে দাবি করেছেন। বিপরীতে জায়েদ তাকে পিস্তল ঠেকিয়ে হুমকি দিয়েছেন। যদিও ওমর সানীর অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন জায়েদ খান। এমনকি চড়-পিস্তলের ঘটনাও সত্য নয় বলে তার দাবি।