২০ জুন ২০২২
সকাল ৭টা
ছোটবেলা থেকেই সকালে আমার ঘুম ভেঙে যায়। তাই প্রতিদিনের মতো আজও খুব সকালে ঘুম থেকে উঠেছি। প্রতিদিন নিয়মমতো সকাল ৭টা থেকে ঘরোয়া ব্যায়ামগুলো করি। এর পরই শুরু হয় মেয়েকে নিয়ে ব্যস্ততা। তাকে ঘুম থেকে তুলে স্কুলের জন্য তৈরি করা, তার টিফিন বানানো, সব গুছিয়ে দিয়ে তাকে মাঝেমধ্যে স্কুলেও দিয়ে আসতে হয়। এরপর ডায়েরি খুলে নিজের কাজের শিডিউলও দেখি। যেদিন মেয়ের স্কুল থাকে না, সেদিন সকালে কিছুক্ষণ ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে প্রাণভরে নিঃশ্বাস নেই।
সকাল ১১টা
প্রতিদিনই কোনো না কোনো মিটিং থাকে বা কোনো শোয়ের বিচারক বা অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে কাজের কথা হয়। সাধারণত এসব মিটিং বিকেলের দিকে করার চেষ্টা করি। আজ একটা অন্য কাজের মিটিং ছিল। নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে আয়োজন করতে যাচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠান। সেসব নারীকে সাহস দেওয়ার জন্য অনুষ্ঠানে আমাকে গেস্ট করবে। সে বিষয়েই মিটিং। এই কাজগুলোতে আমারও যেতে ভালো লাগে। নারীদের এগিয়ে নিতে উৎসাহ দিতে পারলে নিজের মধ্যেও আনন্দ পাই।
দুপুর ১টা
আমার শুটিং না থাকলে মেয়েকে স্কুল থেকে নিয়ে আসি। পথে আমরা মা-মেয়ে মিলে কোথাও খাই। আজ যেমন আমরা দু'জনে একটি রেস্তোরাঁয় বসেছিলাম। সেখানে বেশ খানিকটা সময় হাসি-আনন্দে পার করেছি।
বিকেল ৫টা
সন্ধ্যায় কোনো অনুষ্ঠান কিংবা স্টেজ শো না থাকলে বাসায় থাকি। বাচ্চাকে সময় দিই। ওর সঙ্গে দারুণ সময় কাটে। মাঝে বাংলা সিনেমা দেখি। আজ দেখলাম একটা সিরিজ। নেটফ্লিক্সে। সন্ধ্যায় মাঝে মাঝে স্মৃতির খাতা খুলে বসি। খুবই মিস করি দিনগুলো। মেয়ের দিকে তাকিয়ে শৈশবটা আরও বেশি করে মনে পড়ে।
রাত ৯টা
কিছুক্ষণ দেশের সংবাদগুলো দেখি। বেশ কয়েক দিন ধরে সিলেট আর মৌলভীবাজারের মানুষের দুর্বিষহ জীবন দেখে মনটা কেঁদে উঠছে। এখন ভালো লাগছে, সবাই তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছে। সবাই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।