কিশোরগঞ্জে কয়েকটি নদ-নদীর পানি বেড়েছে। বৃহস্পতিবার ঘোড়াউত্রা নদীর সবগুলো পয়েন্টে পানি কয়েক ইঞ্চি বেড়ে গেছে। বেড়েছে কুশিয়ারা ও ধনুর পানিও।

বৃহস্পতিবার রাতে ভারি বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়ে হাওর সংলগ্ন বেশির ভাগ এলাকা। এতে করিমগঞ্জ, তাড়াইল, বাজিতপুরসহ জেলা সদরের কিছু এলাকার ঘরবাড়িতে পানি উঠে যায়। এসব এলাকার বাসিন্দাদের ফের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তবে শুক্রবার সকাল থেকে বৃষ্টি হয়নি।

কিশোরগঞ্জে চলমান বন্যার পানি এখনও পুরোপুরি নামেনি। এখনও জেলার বেশির ভাগ এলাকা প্লাবিত অবস্থায় রয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে পানি কমতে শুরু করেছিল। এরমধ্যে গত দুইদিন ধরে নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। তাই এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন করে  আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, শুক্রবার সকালে ভৈরব পয়েন্টে মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ দশমিক ২০ সেন্টিমিটার ওপরে। বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলায় ঘোড়াউত্রা নদীর পানি এক ফুট বেড়ে প্রবল স্রোতের সৃষ্টি করেছে।

কালনী- কুশিয়ারা হাওরের বিভিন্ন পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬ দশমিক ৫০  সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি হ্রাস পেয়ে বিপৎসীমার ১১ দশমিক ২০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বর্তমানে অন্যসব নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ০ দশমিক ৭৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মতিউর রহমান জানান, কিছু নতুন এলাকায় নতুন করে পানি ঢুকেছে। ভয়ের কোনো কারণ নেই। আগামী দুইদিন বৃষ্টিপাত না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। মেঘনার বিপরীতমুখী স্রোত থেমে গেলে বন্যার পানি দ্রুত নেমে যাবে বলে তিনি মনে করেন।