সাবিলা নূর। অভিনেত্রী ও মডেল। ঈদের বেশ কিছু একক নাটক ও টেলিছবির কাজ নিয়ে কাটছে তাঁর ব্যস্ত সময়। অভিনয়ের বিষয়ে নিজস্ব ভাবনা ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় তাঁর সঙ্গে-

সামনে ঈদ। অভিনয়ের ব্যস্ততা কি আরও বেড়ে গেছে?
শুধু ঈদ নয়, বছরজুড়েই ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। উৎসব ছাড়াও বিভিন্ন দিবস উপলক্ষে নাটক, টেলিছবি, শর্টফিল্ম তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে ওয়েব দুনিয়া কাজের নতুন পথ তৈরি করে দিয়েছে। তাই অভিনেতা-অভিনেত্রী, নির্মাতাসহ কমবেশি সবারই ব্যস্ততা বেড়েছে। তবে এবার 'আবারও অঘটন', 'রঙিলা ফানুস'সহ হাতেগোনা কয়েকটি নাটক, টেলিছবিতে কাজ করেছি।

কারণ কী?
কাজ তো সংখ্যা বাড়ানোর জন্য করি না; ভালো লাগার একটা বিষয় থাকে। যে কাজে মন সায় দেয় না, তা করতেও চাই না। তাই সংখ্যায় কম হলেও বাছবিচার করে কাজ করতে হয়।

অভিনয়ের বাছবিচারে কোন বিষয়গুলো প্রাধান্য দেন?
সবার আগে গল্প যাচাই করি। কারণ, ভালো গল্পই চরিত্রকে দর্শকের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে। এরপর চেষ্টা করি, চরিত্রের সঙ্গে মিশে গিয়ে নিজেকে পর্দায় তুলে ধরতে। এর আগে অবশ্যই এটা বুঝে নিতে হয়, নির্মাতা গল্পটা কীভাবে দর্শকের কাছে উপস্থাপন করতে চান।

অভিনেত্রী নাকি মডেল- কোন পরিচয়কে বড় করে দেখেন?
বিভিন্ন সময় বিজ্ঞাপনে মডেল হয়েছি। কারণ, সেখানেও অভিনয়ের একটা সুযোগ ছিল। তাই মডেল নয়, অভিনেত্রী পরিচয় দিতেই ভালো লাগে। নিজেও চাই, অভিনয়ের মধ্য দিয়ে পরিণত একজন শিল্পী হতে।

ওয়েব সিরিজে অভিনয়ে আপনার কোনো অনীহা আছে?
ওয়েব সিরিজে কাজ করছি না মানে এই নয় যে এর প্রতি অনীহা আছে। ভালো গল্প, চরিত্র পেলে যে কোনো মাধ্যমেই কাজ করব।

'মুজিব' ছবির মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে। বিষয়টা কীভাবে দেখছেন?
'মুজিব' অন্য যে কোনো সিনেমা থেকে একেবারে আলাদা। এমন একটি ঐতিহাসিক ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় নিজেকে তুলে ধরতে পারা যে কারও জন্যই আনন্দের। ভালো লাগার আরেকটি বিষয় হলো, এই সিনেমার সূত্র ধরে শ্যাম বেনেগালের মতো খ্যাতিমান নির্মাতার কাছে অনেক কিছু শেখার সুযোগ পেয়েছি।