রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকায় থাকা ৯৫২টি পুকুর সংরক্ষণসহ ৫ দফা নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এসব পুকুরে যেন মাটি ভরাট করা না হয়, তা নিশ্চিত করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি জোবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী এবাদত হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এক রায়ে এসব নির্দেশনা দেন।

এগুলো হলো-রাজশাহী শহরে আর যাতে কোনো পুকুর ভরাট ও দখল না হয়, তা বিবাদীদের নিশ্চিত করতে হবে; সিটি মেয়র, পরিবেশ, র‌্যাব ও জেলা প্রশাসনকে বিদ্যমান পুকুরগুলো সংরক্ষণ করতে হবে; পুকুরগুলো যাতে অক্ষত অবস্থায় থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে; এ মামলা চলমান থাকবে এবং রাজশাহীর সুখান দীঘির দখল করা অংশ পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে এনে সংরক্ষণ করতে হবে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সাইফুজ্জামান।

২০১৪ সালে রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকায় থাকা পুকুর সংরক্ষণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। তখন হাইকোর্ট রুল জারির পাশাপাশি শহরে কত পুকুর আছে, তা জানাতে রাজশাহীর জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন।