শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে মঞ্চায়ন নাট্যদল পালাকারের প্রশংসিত মঞ্চ প্রযোজনা ‘উজানে মৃত্যু’। এক মেইল বার্তায় জানানো হয়েছে, প্রযোজনাটির ৫১ তম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে এবার। নাটকের কলেবর বৃদ্ধির জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অন্যান্য রচনার অংশ বিশেষ সংলাপ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ

পালাকার তাদের এবারের প্রদর্শনীকে নতুন সংষ্করণ নামে অভিহিত করছে। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচনায় নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন তরুণ নির্দেশক শামীম সাগর। পরিচালক বলেন, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ দেশের প্রেক্ষাপটে নিরীক্ষাধর্মী নাটক লিখেছেন। অবচেতন মনের যে বিচিত্র ধারা, যা সহজে চোখে পড়ে না অথচ বাস্তবেরও অধিক বাস্তব তা সুচারু এবং শৈল্পিকভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। সম্ভবত তিনিই বাংলাদেশে প্রথম জাদু-বাস্তবতা নিয়ে সাহিত্য রচনা করেছেন। এমন লেখকের সৃষ্টি নিয়ে মঞ্চে কাজ করতে পারাটা আনন্দের এবং চ্যালেঞ্জেরও বটে।

‘উজানে মৃত্যু’-তে মঞ্চে দেখা যাবে আমিনুর রহমান মুকুল , কাজী ফয়সল, চারু পিন্টু, শাহনাজ পারভিন এলিস, শতাব্দী সানজানা, সোনিয়া আক্তার, অনুশ্রীকে। দীর্ঘদিন যাবৎ স্টুডিও থিয়েটার ভিত্তিক নাট্যচর্চায় সরব থেকে নাট্যাঙ্গনকে মুখর করে রেখেছিল পালাকার।

রবীন্দ্রনাথের ‘ডাকঘর’, সেলিম আল দীন-এর ‘বাসন’, উডি অ্যালেনের ‘ডেথ নকস’, ব্রেটল্ড ব্রেখটের ‘রাইফেল’, ফ্রানজ জ. ক্রোয়েটজের ‘রিকোয়েস্ট কনসার্ট’ এসব নানান বিষয় বৈচিত্রের নাট্য নিরীক্ষা পালাকারকে স্বতন্ত্র এক পরিচয় এনে দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ’র ‘উজানে মৃত্যু’ নাটকটিও ব্যতিক্রম নয়। পালাকার তার পূর্বের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এই প্রযোজনাতেও স্বভাবজাত নিরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহকে নতুন করে চিনে নেবার প্রয়াস গ্রহণ করেছে। পালাকারের এ প্রয়াস স্পর্শ করবে।