শিল্পী সমিতির ভোটে জয়ের ৯ মাস পর নিজ পদের জন্য শপথ নিলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। অন্যদিকে নিপুণকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সমিতির সহ-সভাপতি রুবেল ও ডিপজল ফুল দিয়ে বরণ করে নিলেন আজ।

এর মধ্যে রোববার ৯ মাস ধরে চলে আসা শিল্পীদের মধ্যকার দ্বন্দ্বের অবসান হলো যেনো।   জায়েদ খানের প্যানেল থেকে নির্বাচিতরা এতদিন সমিতি থেকে দূরে থাকলেও অবশেষে সবাই সমিতির এক টেবিলেই বসলেন। 

রোববার বিকেলে সমিতির কার্যকরী কমিটির মিটিং হয়। সেই মিটিংয়ের নেতৃত্ব দেন সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন এবং সাধারণ সম্পাদক নিপুণ।

এ বৈঠকে অংশ নেয়ার জন্য মিশা-জায়েদ খানের প্যানেল থেকে বিজয়ীদের অংশগ্রহণ করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে মিটিংয়ে অংশগ্রহণ সহসভাপতি ডিপজল ও রুবেল। তারা জানান, আলাদত যেহেতু কদিন আগে রায় দিয়েছে, তাই তারা নিপুণকে অফিশিয়ালি বরণ করেছেন।

শিল্পী সমিতির মিটিংয়ে দুই প্যানেল থেকে নির্বাচিত  নেতা রিয়াজ, সাইমন, ইমন, জয় চৌধুরী, অঞ্জনা, কেয়া, জাদু আজাদ, আরমান, জেসমিন, নাদির খান, শাহনূরসহ অনেকেই হাজির হোন। 

শিল্পী সমিতির সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক ইমন বলেন, মৌসুমী আপা আজ শপথ নিয়েছেন। পাশাপাশি ডিপজল ভাই, রুবেল ভাইসহ নির্বাচিত প্রত্যেকেই শিল্পী সমিতিতে এসেছিলেন। তারা নিপুণকে বরন করে নিয়েছেন। আমাদের মধ্যে এখন আর কোনো বিভেদ নেই।

”প্রত্যেকে বহুদিন পর জমিয়ে আড্ডা দিয়েছি। নির্বাচনের পর বিভিন্ন ঘটনায় আমরা প্রায় একবছর পিছিয়ে গিয়েছি। এবার একসাথে এগুতে চাই।”

ডিপজল বলেন, সমিতির মধ্যে বিভাজন ও দ্বন্দ্ব চাইনি, পছন্দও করিনি। বরাবরই বলে এসেছি, চলচ্চিত্র ও শিল্পীদের স্বার্থে আমাদের একসঙ্গে মিলেমিশে থাকতে হবে। নীতিগতভাবে আমাদের প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানকে আমরা সমর্থন দিয়ে এসেছি। যেহেতু বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে, তাই আমরা আদালতের রায়ের অপেক্ষা করেছি। আর শুরু থেকেই বলেছি, আদালত যে রায় দেবেন তা সবার মেনে নিতে হবে।

ডিপজল বলেন, আদালতের তরফ থেকে জানা গেছে, নিপুণের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনে বাধা নেই। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, মিটিংয়ে অংশ নিয়ে সমিতির কার্যক্রম গতিশীল করা আমার দায়িত্ব। সদস্যরা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। আমি যদি সেই দায়িত্ব পালন না করি, তাহলে তাদের কাছে কী জবাব দেব?