জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আসরে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে আমার নাম ঘোষণা করা হয়েছে, বিষয়টি অনেক আনন্দের। একই সঙ্গে সম্মানের। একজন শিল্পী এ ধরনের অর্জনের জন্য অপেক্ষা করেন। অনেক কষ্ট করে প্রতিটি সিনেমার কাজ শেষ করতে হয়। নিজের কাজ দিয়ে যখন কোনো স্বীকৃতি আসে অন্যরকম ভালোলাগা ছুঁয়ে যায়।

'মৃধা বনাম মৃধা' নিয়ে অনেক কষ্ট করেছি। নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে এটি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে। প্রচার-প্রচারণা হয়েছে কম। এ নিয়ে আফসোস সারাজীবনই থেকে যাবে। আনন্দের বিষয়, যখন এটি একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেল তখন ৩৫ লাখেরও বেশি দর্শক দেখেছেন। সবার প্রশংসা পেয়েছি। তখন থেকেই দর্শকদের সত্যিকারের প্রশংসা পেতে শুরু করেছি। পরে অনেক দর্শক সিনেমাটি তাঁদের বাবাকে নিয়ে হলে দেখতে না পারার আফসোসও করেছেন।