যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বরিস জনসনের পথচলা শুরু

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০১৯     আপডেট: ২৫ জুলাই ২০১৯      

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশবাসীর উদ্দেশ্য বুধবার প্রথম ভাষণ দেন বরিস জনসন— বিবিসি

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন বরিস জনসন। বুধবার তেরেসা মের স্থলাভিষিক্ত হন তিনি।

নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর বরিস জনসনকে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখালেও তার সামনে এখন যুক্তরাজ্যকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বিচ্ছিন্ন করার (ব্রেক্সিট) প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের কঠিন চ্যালেঞ্জ। অবশ্য কট্টর ডানপন্থি ও জাতীয়তাবাদী এই নেতা আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যেই ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যকে বের করে নেওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। খবর বিবিসির

ব্রেক্সিট ইস্যুতে নিজের নতুন পরিকল্পনা তার মন্ত্রিসভায় এবং পার্লামেন্টে অনুমোদিত হবে না— এটা স্পষ্ট হওয়ার পর গত ২৪ মে কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন যুক্তরাজ্যের সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে। লন্ডনে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে এক আবেগঘন বক্তৃতায় পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার সময় মে'র চোখ অশ্রুসজল হয়ে ওঠে।

ব্রেক্সিট ইস্যুকে কেন্দ্র করে ডেভিড ক্যামেরন প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের পর ২০১৬ সালের ১৩ জুলাই যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন তেরেসা মে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ব্রেক্সিট কার্যকরে বিভিন্ন উদ্যোগ নেন তিনি। তবে এ বিষয়ে তার কোনো প্রস্তাবেই অনুমোদন দেয়নি পার্লামেন্ট।

কোন প্রক্রিয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্য আলাদা হবে সে পথ বের করার জন্য ২১ মাস সময় পেয়েছিলেন মে। তবে তার পরিকল্পনা পার্লামেন্টে পাস না হওয়ায় ব্রেক্সিটের সময়সীমা ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এরই মধ্যে নিজ দলে বিদ্রোহের মুখে পড়েন তেরেসা।

তেরেসার দায়িত্ব পালনের নির্ধারিত সময় ছিল ২০২০ সাল পর্যন্ত। তাই বাকিটা সময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জনসকেই ব্রেক্সিট ইস্যুতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।