ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

সাক্ষাৎকার

ব্যবসায়ীদেরও লাভ কারেন্সি সোয়াপে

ব্যবসায়ীদেরও লাভ কারেন্সি সোয়াপে

আজম জে চৌধুরী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, এমজেএল বাংলাদেশ

আনোয়ার ইব্রাহীম

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২২ | ১২:০০ | আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২২ | ২১:৪৭

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে 'কারেন্সি সোয়াপ' করার পরিকল্পনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আজম জে চৌধুরী। সমকালকে তিনি বলেন, এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমবে। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দুই দেশ রাজি হলে বাংলাদেশের অন্তত কোনো ক্ষতি নেই। এ ব্যবস্থা চালু করা গেলে শুধু রাষ্ট্রের মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রাই সাশ্রয় হবে না; এর ফলে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরাও উপকৃত হবেন।

রপ্তানিকারকরা কারেন্সি সোয়াপ ব্যবস্থায় এলসি খুলতে রাজি হবেন কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের আমদানি থেকে রপ্তানি কম। বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে দেশীয় মূল্য সংযোজন কম। কাঁচামালের সিংহভাগই আমদানি করতে হয়। যিনি রপ্তানিকারক, তিনি শুধু পণ্য বিক্রি বাবদ ডলারে মূল্য পাচ্ছেন না; যখন কাঁচামাল আমদানি করেন, তখনও তাঁকে ডলারে মূল্য পরিশোধ করতে হয়। এদিক বিবেচনায় নিলে কোনো ব্যবসায়ীর দ্বিমত করার কথা নয়।

আজম জে চৌধুরী বলেন, এখানে ব্যবসায়ীদের থেকেও সরকার এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিগত সিদ্ধান্তের ব্যাপারটা গুরুত্বপূর্ণ। সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক চাইলে এ বিষয়ে অগ্রসর হওয়া যায়। সরকার অগ্রণী ভূমিকা নিলে কোন কোন দেশের সঙ্গে কারেন্সি সোয়াপ হলে দেশ সুবিধা পাবে, সেগুলো চিহ্নিত করে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে অগ্রসর হওয়া যেতে পারে।

আরও পড়ুন

×