ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

হেলথ টিপস

বেশি করে ফল খান

বেশি করে ফল খান

--

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২২ | ১২:০০ | আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২২ | ২২:২০

পেঁপে

চিনির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পেঁপে একটি আদর্শ ফল। যাদের ডায়াবেটিস নেই, তাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেঁপে রাখা উচিত। পেঁপে ডায়াবেটিস হওয়া প্রতিরোধ করে। প্রতি ১০০ গ্রাম পেঁপেতে ৬০ মিলিগ্রামের মতো ভিটামিন সি পাবেন লেবুতে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ভাইরাল থাকায় অতিরিক্ত ওজন কমাতে, হজম শক্তি বাড়াতে এবং লিভারের ময়লা পরিস্কারে সাহায্য করে।
- লেবুতে প্রচুর পরিমানে সাইট্রিক এসিড, ক্যালসিয়াম ও লিমলিন থাকে, যা এন্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে শরীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
-ভিটামিন সি এর বড় উৎস বলে পাকস্থলী ও হূৎপিণ্ডের বিভিন্ন রোগসহ সর্দি-কাশি, জ্বর, ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ ও হাইপারটেনশনে লেবু খুব ভালো উপকার দেয়।
- সকাল বেলা লেবুর রস খেলে শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে।
লেবু হজমে সাহায্য করে ও পিত্তরস উৎপাদনে সাহায্য করে। ফলে পেটের বদহজম ও জালাপোড়া থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

আমড়া
টক-মিষ্টি ফল আমড়া প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ফাইবারসমৃদ্ধ। আমড়া মাঝারি আকারের দেশি ফল। কাঁচা ফল টক বা টক মিষ্টি হয়, তবে পাকলে টকভাব কমে আসে এবং মিষ্টি স্বাদ
পাওয়া যায়।
মুখে রুচি বাড়াসহ অসংখ্য গুণাগুণ রয়েছে আমড়ার। পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আমড়ায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম আর আঁশ আছে, যেগুলো শরীরের জন্য খুব দরকারি। হজমেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই তেল ও চর্বিযুক্ত খাদ্য খাওয়ার পর আমড়া খেয়ে নিতে পারেন, হজমে সহায়ক হবে।
আমড়ায় প্রচুর ভিটামিন সি থাকায় এটি খেলে স্কার্ভি রোগ এড়ানো যায়।

কলা
কলার মধ্যে রয়েছে এমাইনো এসিড, যেটি মানসিক চাপরোধক হিসেবে কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম, যা বিষণ্ণতা রোধে কাজ করে।
কলার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং সামান্য পরিমাণ লবণ, যা হূৎপিণ্ড ভালো রাখতে সাহায্য করে; এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও কাজ করে।
প্রতিদিন একটি করে কলা খাওয়া স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।
এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ আয়রন, যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায় এবং যেসব রোগীর রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়া রোগ রয়েছে তাদের জন্য এটি বেশ উপাদেয়। 

আরও পড়ুন

×