ঢাকা শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

দূরের সাহিত্য

ডিকেন্স জাদুঘরে ভূতের আড্ডা

ডিকেন্স জাদুঘরে ভূতের আড্ডা

--

প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২২ | ১২:০০

১৬০ বছর আগে কোনো এক সন্ধ্যায় লন্ডনে মঞ্চে চলছিল চার্লস ডিকেন্সের নাটক। দর্শকদের সামনে মঞ্চে উপস্থিত হলো এক প্রেতাত্মা। নাটকটির নাম 'দ্য হাউন্টেড ম্যান'। আর সেটি ছিল 'প্রফেসর পিপার' এর ভূত। সেবারই প্রথম মঞ্চে ভূত, অথবা অতিপ্রাকৃত শক্তিকে উপস্থাপন বা দর্শকদের মধ্যে বিভ্রম তৈরি করার জন্য এক ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়; যা দর্শকদের গা হিম করে দেওয়ার মতো। এবার সেই 'প্রফেসর পিপার'-এর ভূতই শুধু নয়, ডিকেন্সের সৃষ্টি করা আরও বহু ভূতের সঙ্গে বাইরে থেকে আরও অনেক ভূতও এসে হাজির হয়েছে ডিকেন্স জাদুঘরে।
এবার লন্ডনের ডিকেন্স জাদুঘর এসব ভূতের এক প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। থ্রি-ডি প্রযুক্তির মাধ্যমে আলো-ছায়ার যে অদ্ভুতুড়ে আবহ নির্মাণ করা হয়েছে, তা দর্শকদের ভিক্টোরিয়ান যুগে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে।
ডিকেন্স নিজে ভূত বা অতিপ্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাসী ছিলেন না। অথচ তিনি ৩০ বছর ধরে ২০টিরও বেশি ভূতের গল্প লিখেছেন। ডিকেন্সের ভূতের ধারণায় মুগ্ধ ছিলেন লেখক ও ভূত ধারণার সমর্থক উইলিয়াম হাউইট। ডিকেন্স ও তাঁর লেখা অনেক চিঠিপত্র রয়েছে। অথচ মাত্র এক বছর পরে, ডিকেন্সের সাথে হাউইটের বন্ধুত্ব ভেঙে যায় যখন ডিকেন্স জোর দিয়ে বলেছিলেন যে, থিয়েটার মঞ্চ ছাড়া ভূতের কোনো অস্তিত্ব নেই।
'টু বি রিড অ্যাট ডাস্ক : ডিকেন্স, ঘোস্টস অ্যান্ড দ্য সুপারন্যাচারাল' শীর্ষক প্রদর্শনীটি চার্লস ডিকেন্স জাদুঘরে ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত প্রদর্শিত হবে।

আরও পড়ুন

×