ঢাকা শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

হেলথ টিপস

শিশুদের এসিডিটি

শিশুদের এসিডিটি

ডা. আবু সাঈদ শিমুল

প্রকাশ: ২৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ১২:০০ | আপডেট: ২৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ২২:২৪

শিশুদের পেটে ব্যথা হলেই আমরা মনে করি, কৃমি হয়েছে কিংবা ক্ষুধা লেগেছে। বাচ্চাদেরও যে এসিডিটি হতে পারে, সেটা আমরা চিন্তাও করি না। গ্যাস্ট্রিক, পেপটিক আলসার বা এসিডিটি- যে নামেই ডাকি না কেন বাচ্চাদের মধ্যে এটি কিন্তু দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকেই মনে করেন, এসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক শুধু বড়দেরই হয়। বর্তমানে শিশুদেরও এসিডিটি বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিশুদের এসিডিটির প্রধান কারণ এইচ পাইলোরি নামক জীবাণু। কিন্তু বর্তমানে ফাস্টফুড খাওয়ার প্রবণতার ফলেও শিশুদের এসিডিটি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ছাড়া স্কুল থেকে বের হলেই শিশুরা ঝালমুড়ি, ফুচকা, চটপটি ইত্যাদি খাওয়ার জন্য বায়না ধরে। এসব খাবার থেকে অনেকে এসিডিটিতে ভোগে। এর জন্য মানসিক চাপও দায়ী।

আজকাল শিশুদের বিনোদন ব্যবস্থা খুবই কম। বইয়ের বিশাল বোঝা তাদের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হয়। স্কুলের পড়া, প্রাইভেট, কোচিং আর সবসময় পরীক্ষায় ভালো করার জন্য মা-বাবার তাড়া খেয়ে শিশুদের নিজেদের ওপর বিশ্বাস কমছে। এতে মানসিকভাবে তারা চাপেও থাকছে। এ কারণে এসিডিটি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসিডিটি বেশি বেড়ে গেলে তা থেকে পেটের আলসার বা পেপটিক আলসার রোগ হতে পারে। তবে আগে থেকে লক্ষণ ও প্রতিকার জানা থাকলে এ জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

সাধারণত পেটে ব্যথা, পেট ফাঁপা, ঢেঁকুর ওঠা, বমি বমি ভাব, ক্ষুধা কমে গেলে বুঝতে হবে এসিডিটি হয়েছে। অনেক শিশু এসব বুঝতে পারে না। তারা শুধু পেট চেপে ধরে অস্থিরতা কিংবা কান্না করতে থাকে। এসিটিডির প্রতিকারে বেশ কিছু ওষুধ আছে। তবে একই ওষুধ সব বয়সের জন্য প্রযোজ্য নয়। তাই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শিশুদের ওষুধ খাওয়ান।

[বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক]

আরও পড়ুন

×