পবিত্র রমজান মাসে মজুতদারি প্রতিরোধ, বাড়তি দামে পণ্য বিক্রি না করা, পাইকারি ও খুচরা দামে সামঞ্জস্য রাখতে বাজার মনিটরিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে খুলনা চেম্বার অব কমার্স। শনিবার খুলনার ২২টি বাজার তদারকির জন্য ১২টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। রোববার থেকে কমিটি বাজার তদারকির কাজ শুরু করবে।

খুলনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি কাজী আমিনুল হক জানান, খুলনায় নিত্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের পণ্যের মজুত স্বাভাবিক রয়েছে। এরপরও রমজানকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে পণ্যের দাম বাড়ানোর অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এজন্য তদারকির মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, দোকানের সামনে পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন, অতিরিক্ত পণ্য মজুত না করা, বাড়তি দামে পণ্য বিক্রয় না করা, মেমো ছাড়া পণ্য ক্রয়-বিক্রয় না করা, পণ্যে ভেজাল বা ওজনে কম না দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় বিষয়ে তদারকি করবে এই কমিটি।

খুলনা চেম্বার অব কমার্স থেকে জানা গেছে, নগরীর কদমতলা বাজার ও স্টেশন রোড বাজার এলাকা তদারকি কমিটির প্রধান হচ্ছেনসংগঠনটির সিনিয়র সহ-সভাপতি শরীফ আতিয়ার রহমান ও সদস্য পরিচালক মো. মাহবুব আলম। নিউ মার্কেট ও নিউ মার্কেট কাঁচা বাজারসহ আশপাশ এলাকার বাজার তদারকি কমিটির প্রধান চেম্বার অব
কমার্সের সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বিশ্বাস বুলু, খালিশপুর বাজার এলাকার প্রধান চেম্বারের সহ-সভাপতি মোস্তফা জেসান ভুট্টো। নগরীর বড় বাজার এলাকা তদারকি করবেন পরিচালক গোপী কিষণ মুন্ধড়া, এম এ মতিন পান্না ও মো. সিরাজুল হক, সোনাডাঙ্গা কাচাঁ বাজার, দোলখোলা বাজার, মিস্ত্রী পাড়া বাজার, সন্ধ্যা বাজার ও নিরালা বাজার মনিটরিং কমিটির প্রধান চেম্বার পরিচালক জেড এ মাহমুদ ডন। নগরীর শেখপাড়া বাজার মনিটরিং কমিটির প্রধান চেম্বার পরিচালক শেখ মো. গাউসুল আজম, রূপসা এবং নতুন বাজার এলাকার প্রধান পরিচালক মফিদুল ইসলাম টুটুল, বয়রা বাজার এলাকার প্রধান চেম্বার পরিচালক কাজী মাসুদুল ইসলাম।

এছাড়া জোড়াকল বাজার এলাকা চেম্বার পরিচালক জোবায়ের আহমেদ খান জবা, চাঁনমারী বাজার ও লবণচরা বান্ধা বাজার এলাকার প্রধান পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন, হেরাজ মার্কেট, ও নিক্সন মার্কেট এলাকা মনিটর্রিং করবেন পরিচালক ইসলাম খান, খান সাইফুল ইসলাম ও মনিরুল ইসলাম মাসুম এবং দৌলতপুর বাজার এলাকা তদারকি করবেন সাবেক পরিচালক বদরুল আলম মার্কিন।