বিশ্ব যখন হাজারো সংকটে আবদ্ধ, তখন এসব সংকট নিয়ে ৩০ দেশের ৮০ জন লেখক নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে এক সম্মেলন করেছেন। ইউক্রেন যুদ্ধ প্রধান আলোচ্য বিষয় হিসেবে থাকলেও সেখানে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার বৈশ্বিক সংকট নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়- কীভাবে এ সংকট থেকে উত্তরণের পথে সাহিত্য সহযোগী হতে পারে।
ইমার্জেন্সি ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অব রাইটার্সের ব্যানারে পেন আমেরিকা এ সম্মেলনটি আয়োজন করে। এ সম্মেলনের প্রধান নির্বাহী সুজান নোজেল রাশিয়াকে 'জঘন্য আগ্রাসী' এবং চীনকে 'লেখকদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় কারাগার' উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, 'এরা যদি আমাদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার রক্ষক হয়, তাহলে আমরা নিশ্চিতভাবেই সংকটে রয়েছি।'
১৯৩৯ সালের মে মাসে থমাস মান, পার্ল বাক, ডরোথি থম্পসনসহ প্রায় পাঁচশ লেখক যেভাবে নিউইয়র্কে জড়ো হন যুদ্ধবিরোধী অবস্থানের জানান দিতে; এবার ৮০ জন লেখক সম্মেলনে যোগ দেন এ বিষয়টিকে সামনে রেখেই। তিন ঘণ্টা ধরে সম্মেলনে বিভিন্ন সংকট নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে রয়েছে- ইউক্রেন যুদ্ধ, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহ হত্যা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মেরূকরণ, দেশে দেশে গণতন্ত্রের সংকট। পেন ইউক্রেনের সভাপতি ঔপন্যাসিক আন্দ্রে কুরকভ রুশ প্রেসিডেন্ট ভদ্মাদিমির পুতিন সম্পর্কে বলেন, 'তিনি শুধু ইউক্রেনকেই ধ্বংস করছেন না। পারমাণবিক যুদ্ধের হুমকি দিয়ে তিনি গোটা বিশ্বকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড় করাচ্ছেন।'
ষ গ্রন্থনা :শাহেরীন আরাফাত