ক্ষয়িষুষ্ণ ইঁদুরের মতোন ছোট হয়ে আসে জীবনের উঠান- আঙুলের ভাঁজে তার নির্বাসিত সরীসৃপ;
গ্রহণের রাত খুঁজে নেয় জলজ্যান্ত তালপুকুর আর ভোমরার প্রাণ।
জীবনের আদলে লালিত মৃত্যুর বেহাগ-
বলে দিও যেভাবে রক্তের ভেতর বয়ে গেলে বিপন্ন গোখরার মায়া;
মৃত্যুর আটষট্টিতম দিনে মিশে যাব সুর ও স্রোতের অতলান্তিক অরণ্যে।
পাতালের ডুব ভেঙে পৌঁছে যাব বিহ্বল আঁতুড়ঘরে
বিনীত জন্মের হাত ধরে খুঁজে নেব স্ববিরোধী ছন্দপতন;
বেজে উঠবে ঘোরগ্রস্ত রমণীর চিৎকার, মুমূর্ষু আঙুলের পত্রাবলি।

শিয়রে কিছু বিচ্ছিন্ন ভ্রমণের গল্প আর ক্ষীণ আক্ষেপ-
তখনও খুঁজে ফেরে কাফকার বেড়াল; অনাদরে খামচে ধরে মৃদু ট্রেন- ফেলে আসা আর্তনাদ।
ইতস্তত আঙুল ফুঁড়ে বেরিয়ে পড়ে আশ্চর্য ক্ষত।
তবু আগুন নয়, নয় কোনো জন্মান্ধ জলের পাখি অথবা সমুদ্রগামী নাভি-
নৈঃশব্দ্যের জন্মভুলে এইখানে বুনে দিও রক্তে লেগে থাকা অনার্য পাথরের সুবাস।

বিষয় : পদাবলি

মন্তব্য করুন