তুমি কি এখন দীপ্ত আকাশ দেখো!
আমি আলো হারিয়েছি কৃষ্ণপক্ষের আগেই
বেঁচে আছি ছিপিখোলা রাতের দু'হাতে
আর মগ্ন বেঁচে আছে দূর অন্তরিক্ষ
সন্ধ্যা তৈরি হচ্ছে উদাসী নিশিকান্ত শরীরে
আর কোনোদিন জোছনার হাসি তুলে রাখিনি
নিপাট শয্যায়
দেহে রৌদ্রদ্যুতি মেখে ফেরে না সোহাগি কপোত
আকাশও চন্দন টিপ ছড়িয়ে বলে না মেঘের গল্প।

ইচ্ছে হয় ঢুকে পড়ি অরণ্যের
ছোপ ছোপ অন্ধকার অথবা অতল সমুদ্রে
চেয়ে চেয়ে দেখি কীভাবে
আদিম রোদের কুচি ঢেকে ফেলে চিলের ডানা
হুহু চিতা জ্বলে ফুটন্ত চাতালে
বর্ষণসিক্ত রাতও কেড়ে নেয় মনের বৈভব
রাতের শয়ান গড়িয়ে চলে অনুক্ত ভোরে।

বারবার ফিরে গেছে মাতাল শিশির
শব হয়ে পড়ে থাকে গোপন উচ্ছ্বাস
ধীরে ধীরে উঁচু হয় শবের ক্রম
এখন যন্ত্রণাযুগল বানিয়ে জীবন কাটে
কিছু আলো কিছু অন্ধকারে
কিছু জীবন কিছু মরণে ...।

বিষয় : পদাবলি

মন্তব্য করুন