বন্যাকবলিত মানুষের সহযোগিতায় নিকটস্থ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

শনিবার মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশ দেয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বন্যাকবলিত এলাকার দুর্গত জনগণের নিরাপদ আশ্রয় প্রদানে নিকটস্থ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

প্রসঙ্গত, গত পাঁচ দিন ধরে সুনামগঞ্জ, সিলেটের কোম্পানিগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট, জকিগঞ্জ, সিলেট সদর দক্ষিণ সুরমাসহ সবকটি বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে জনমানুষের জীবনযাপন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে বিদ্যুৎহীন থাকায় এসব এলাকা থেকে সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে কোনো খবরও পাওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে সিলেট জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, শনিবার সকাল থেকে উদ্ধার কাজের জন্য নৌবাহিনীর ৩৫ জনের একটি ডুবুরিদল কাজ শুরু করেছে। খুব শিগগিরই ৬০ জনের আরেকটি বড় দল তাদের সঙ্গে যোগ দেবে। এছাড়া বন্যা কবলিত এলাকা থেকে ইতোমধ্যেই উদ্ধার কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী।