তোমরা ভয়ের চোটে আঁধার পথে হাঁটতে করো ভয়
যদি পথের মাঝে দস্যুডাকু ওত পেতে কেউ রয়!
তখন ছিনিয়ে নেবে টাকার তোড়া, হাতঘড়ি সেলফোন
ভেবে ভুলেও রাতে ওদিক যেতে চায় না কারো মন।

আমার নেইতো অমন শঙ্কা আমি স্বাধীন নাগরিক
রাতে ভয়ের ঝুঁটি মুঠোয় করে হাঁটতে পারি ঠিক
কারণ শূন্যপকেট নিয়েই আমি আঁধার করি জয়
পথে কী আর নেবে দস্যু-ডাকু নেই কোনো সংশয়।
ওরা খুঁজলে পাবে বুকপকেটে লালরঙা নোটবুক
ওটার পাতায় পাতায় পাখির ছড়া পড়লে পাবে সুখ।

তোমরা আটকে রাখো দোর-জানালা চুরির আশঙ্কায়
যদি যায় খোয়া সব সোনাদানা ঘুমের অবস্থায়
আমার এইসবে নেই চিন্তা কোনো খুলেই ঘুমাই দোর
রাতে শূন্যঘরে ভুলুক দিয়ে বিদায় নেবে চোর।

খালি বুকের ভেতর আবেগ পুষি, স্বপ্ন ভরা চোখ
ঘুরি বনবনানি গুল্মতরুর সবুজ স্বর্গলোক
ছুটি মাঠের শেষে নীলপাহাড়ের হাতছানিতে রোজ
দূরে তুর্মা ঝোপে নিত্য করি ডাহুক ছানার খোঁজ।

ডাকে নীলচে আকাশ মেঘের নায়ে চড়তে প্রতিদিন
করে ঝাবুক বনের পুবাল হাওয়া মনটা উদাসীন।
আমার নেই কিছু ঠিক তবুও বুকে রাজার পরিচয়
চলি বীরের মতো; কারণ আমার নেই হারানোর ভয়।

বিষয় : ছড়া-কবিতা

মন্তব্য করুন