সেন্ট লুসিয়া টেস্টে চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনেই গুটিয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশ। ছয় উইকেট হারানো দলটিকে সকালেই অলআউট করার হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন কেমার রোচ। ওই সেশনটাই বৃষ্টির কারণে ভেজা মাঠের বাইরে ভেস্তে গেছে। 

বৃষ্টি থেমেছে, মাঠ শুকানোর কাজ চলছে। দ্বিতীয় সেশনেও ম্যাচ শুরু হতে দেরি হতে পারে। তাতে করে বাংলাদেশ দলের হারের অপেক্ষা কিংবা ইনিংস হারের লজ্জাই কেবল দীর্ঘায়িত হবে। ম্যাচ বাঁচানোর সম্ভাবনা কম। 

সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৬ ওভরে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান তুলেছে। এখনও ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস থেকে পিছিয়ে আছে ৪২ রানে। তৃতীয় দিন ১৬ রানে অপরাজিত থাকা নুরুল হাসান ইনিংস হার এড়ানোর লড়াই করবেন। তার সঙ্গী মেহেদি মিরাজ। 

এর আগে সেন্ট লুসিয়া টেস্টে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে টস হেরে ব্যাটিং করে ২৩৪ রান করে। জবাবে ৪০৮ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। লিড নেয় ১৭৪ রানের। দ্বিতীয় ইনিংসে কেমার রোচ ৪ রানে ফেরার তামিমকে। জয় (১৩) ও এনামুলকে (৪) তুলে নেন তিনি। পরের তিন উইকেট নিয়েছেন আলজারি জোসেপ। লিটন দাস ও সাকিবকে যথাক্রমে ১৯ ও ১৬ রানে ফিরিয়েছেন। নাজমুল শান্ত আউট হয়েছেন ৪২ করে।   

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ ১৪৬ রানের ইনিংস খেলেন কাইল মেয়ার্স। পাঁচে নেমে তিনি ২০৮ বলে ১৮ চার ও দুই ছক্কায় ওই রান করেন। এছাড়া ক্রেইগ ব্রাথওয়েট ৫১ রানের ইনিংস খেলেন। জোহান ক্যাম্পবেল ৪৫ ও জার্গেইন ব্ল্যাকউড ৪০ রানের ইনিংস খেলেন।

সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত উইকেট হারায় বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৩ রান করেন লিটন দাস। তামিম ইকবাল করেন ৪৬ রান। এছাড়া শান্ত ও শরিফুল ২৬ করে রান তোলেন। এনামুল করেন ২৩ রান।

প্রথম ইনিংস থেকে আলজারি জোসেপ ও জেইডেন সিলস তিনটি করে উইকেট নেন। দুটি করে উইকেট নেন কেমার রোচ ও অ্যান্ডারসন ফিলিপস। বাংলাদেশের হয়ে পেসার খালেদ আহমেদ নেন পাঁচ উইকেট। মিরাজ তিনটি ও শরিফুল নেন দুই উইকেট।