প্রকৃতির রূপে সাজানো দক্ষিণ এশিয়ার মনোমুগ্ধকর একমাত্র সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সৈকত কুয়াকাটার অপরূপ সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ সুহৃদরা। দিনটি ছিল ১ জুলাই শুক্রবার। সকাল ৭টায় কুয়াকাটার উদ্দেশে যাত্রা শুরু। সাড়ে ৯টায় সমুদ্রসৈকতে পৌঁছে সুহৃদবাহী গাড়িটি। ঘণ্টাখানেক আগে শুরু হওয়া বৃষ্টি তখনও ঝরছে অঝোরে। যত বাধাই আসুক, কোনো বাধা মানব না। বৃষ্টিতে ভিজে নির্ধারিত গেস্ট হাউসে খানিক বিশ্রাম নেন কেউ কেউ। এবার বেরিয়ে পড়ার পালা; বাঁধভাঙা আনন্দ নিয়ে সাগরের ঢেউয়ের তালে তালে নেচে ওঠেন সুহৃদরা। কেউ কেউ সমুদ্রসৈকতে ফুটবল খেলায় মেতে ওঠেন।
দৃষ্টিনন্দন ইলিশ পার্কে আয়োজন করা হয় মধ্যাহ্নভোজের। সেখানেই আয়োজন করা হয় সভা, লটারি ড্র এবং 'সেরা সুহৃদ' ও লটারির পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। আমাদের সঙ্গে যুক্ত হন কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র মো. আনোয়ার হাওলাদার, প্রেস ক্লাব সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন বিপ্লব প্রমুখ। নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করায় আরিফ হোসাইন দিদার, হাবিবুর রহমান হাছিব, ইমরান হোসেন, মাকসুদুর রহমান মাসুম, রাশেদ বিন মইন, আসমা বেগম, আমেনা বেগম, মাহামুদুল হাসান রাব্বি, সোলায়মান মাহমুদ, আসলাম উদ্দিন ও রুবিনা রুবিকে পুরস্কৃত করা হয়। এরপর লাকি কুপন ড্রয়ে ১০ জন পুরস্কার পান।
এবার সুহৃদরা বের হন আষাঢ়ের পড়ন্ত বিকেলে কুয়াকাটার অপরূপ সৌন্দর্য এবং সূর্যাস্ত উপভোগে। ঐতিহ্যবাহী রাখাইন মার্কেট এবং আশপাশের স্থান ঘোরাঘুরি ও কেনাকাটা শেষে শুরু হয় গন্তব্যে যাত্রা। নির্ধারিত সময় রাত ৮টা গাড়ি পথচলা শুরু করে পটুয়াখালীর দিকে। সুহৃদবাহী গাড়িটি রাত ১০টা ১৫ মিনিটে পৌঁছে পটুয়াখালীর গন্তব্যে এবং সুন্দরভাবে সবাই যার যার বাসায় চলে যান। এভাবে সুহৃদদের পুরো দিনটি কাটে মজার মজার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।
সুহৃদ পটুয়াখালী