গরমে শিশুদের প্রচুর ঘাম হয়। ঘাম থেকে সর্দি, কাশি, ঠান্ডাসহ বিভিন্ন
সমস্যা হতে পারে। তাই এ সময় শিশুর পোশাক হতে হবে স্বস্তির। গরমে
শিশুর আরামদায়ক পোশাক নিয়ে লিখেছেন আজহার মাহমুদ
এই গরমে শিশুর পোশাক নির্বাচন করার আগে খেয়াল রাখতে হবে তাপমাত্রা ওঠানামার প্রতি। গরমে শিশুর পোশাক নির্বাচনের বেলায় সুতি কাপড়ের কোনো বিকল্প নেই। শিশুদের জন্য বেছে নিতে হবে একদম হালকা-পাতলা পোশাক। আঁটসাঁট কাপড় না পরিয়ে খোলামেলা রাখার চেষ্টা করতে হবে। ঢিলেঢালা পোশাকের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির ইন্সট্রাক্টর নূরে ফারহা বারী বলেন, গরমে শিশুদের পোশাক নির্বাচনের বেলায় সবার আগে খেয়াল রাখুন কী ধরনের কাপড় নির্বাচন করছেন। তার পাশাপাশি কাপড়ের রঙের দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।
তিনি বলেন, সুতি কাপড়ের পাশাপাশি কাপড়ের রং সব সময় হালকা নির্বাচন করার চেষ্টা করতে হবে। রঙিন বা গাঢ় রঙের কাপড় সহজে তাপ শোষণ করে। এতে বেশি গরম অনুভূত হয়। তাই রঙিন এবং গাঢ় কাপড়ের বদলে পাতলা এবং হালকা রঙের কাপড় ব্যবহার করা উচিত।
নবজাতকের ক্ষেত্রে এই গরমে আদর্শ পোশাক হতে পারে ফতুয়া। এটি সুতি কাপড় দিয়ে তৈরি এক ধরনের পোশাক। অনেকে ফতুয়ায় ফিতা ব্যবহার করেন, কেউ ব্যবহার করেন বোতাম। তবে নবজাতকের বেলায় বোতামের বদলে ফিতা ব্যবহার করাই ভালো- জানান ফ্যাশন ডিজাইনার ফারহা বারী।
এ ছাড়াও মেয়েশিশুর জন্য ফ্রক, স্কার্ট-টপস, থ্রি কোয়ার্টার প্যান্ট ও টপস, বাহারি রঙের টিউনিক নির্বাচন করতে পারেন। ছেলেশিশুদের জন্য পাতলা টি-শার্ট, গেঞ্জি, শার্ট ও হাফ বা থ্রি কোয়ার্টার পাতলা প্যান্ট নির্বাচন করা যায়।
এই গরমের সময়ে উচিত হাফহাতা, ক্যাপহাতা, ম্যাগিহাতা কিংবা ঘটিহাতা জাতীয় পোশাক নির্বাচন করা। পুরোপুরি ফুলহাতা এই ঋতুতে শিশুর জন্য আরামদায়ক নয়। তাই যতটা সম্ভব ফুলহাতা এড়িয়ে যাওয়া উচিত।
শুধু তা-ই নয়, পোশাকের নকশার ক্ষেত্রেও খেয়াল রাখতে হবে। খুব জমকালো ডিজাইনের বদলে হালকা-পাতলা, ফুরফুরে ছাপার বর্ণিল নকশার পোশাক বেছে নিতে পারেন আপনার শিশুর জন্য।
সুতি ও ঢিলেঢালা পোশাকে শিশু যেমন স্বাচ্ছন্দ্যে থাকবে, তেমনি সুস্থ থাকতেও সহযোগিতা করবে। বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস ঘুরে দেখা গেছে, শিশুর জন্য এখানে রয়েছে নানা ধরনের পোশাক। মেয়েদের জন্য আছে ছোট ও বড় ফ্রক, স্কার্ট, ফতুয়া, সালোয়ার-কামিজসহ আরও অনেক পোশাক। ছেলেদের জন্য রয়েছে শার্ট-প্যান্ট, ফতুয়া ও টি-শার্ট। পোশাকের ম্যাটেরিয়ালের ক্ষেত্রে আরামদায়ক সুতি কাপড়ই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের কটন, লিনেন, ডেনিম ও গেঞ্জি কাপড়ের ফেব্রিক ব্যবহার করা হয়েছে শিশুর আরামের কথা মাথায় রেখে।
তবে প্রিন্টের ক্ষেত্রে দেখা গেছে বৈচিত্র্য। অসংখ্য নকশার প্যাটার্ন দেখা যায় শিশুর কাপড়ে। কখনও একরঙা, কখনও কন্ট্রাস্ট, কখনও আবার মাল্টিকালার ব্যবহার করে পোশাকগুলোর ডিজাইনে বৈচিত্র্য আনা হয়েছে। যেহেতু ছোটদের পোশাক, তাই বেশিরভাগ পোশাকেই উজ্জ্বল রং ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি হালকা রংও আছে অনেক পোশাকে। তবে গরমে পোশাকের ক্ষেত্রে সাদার





প্রাধান্য সবসময় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি থাকে। অফ হোয়াইট, গোলাপি, ফিরোজা, লেমন ও অন্য সব রঙের হালকা শেডের পোশাক রয়েছে। া

ছবি ও পোশাক: রঙ বাংলাদেশ

বিষয় : ছাপা নকশা

মন্তব্য করুন