রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজন বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে তেমন কোনো গবেষণা হয়নি বলেই আমাদের নতুন প্রজন্ম তাঁর সম্পর্কে অনেক কিছু জানে না। তাঁর জীবন ও কর্ম-সম্পর্কিত জ্ঞান পরবর্তী প্রজন্মের হাতে তুলে দিতে না পারলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না।

শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার থিয়েটার ভবন অডিটোরিয়ামে 'বঙ্গবন্ধুকে চিঠি লেখার প্রতিযোগিতা ২০২২'-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তাঁরা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ বলেন, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে হাজার দেড়েক বই বেরিয়েছে। কিন্তু সেগুলো দেখে দেখে লেখা। তাতে অনেক ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য রয়েছে।

সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনেকটাই অপসৃয়মাণ। যে লক্ষ্য ও আদর্শে তিনি জীবন পার করেছেন, তা অনেকটা উঠে গিয়েছে। বঙ্গবন্ধু যে লড়াই করেছেন; তার থেকে কঠিন লড়াই আমাদের জন্য রেখে গিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম আদর্শ ছিল অসাম্প্র্রদায়িক জাতি-চেতনা, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। এটিতে অনেক বড় আঘাত এসেছে। এটি বিপদের দিক।

শিক্ষক, গবেষক ড. রতন সিদ্দিকী বলেন, বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন, এ দেশে একটি অসাম্প্রদায়িক জাতিগোষ্ঠী গড়ে উঠবে। কিন্তু তা আর টিকল না। মুন্সীগঞ্জের বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মণ্ডল ও সাংস্কৃতিক সংসদের মডারেটর সাবরিনা সুলতানা চৌধুরীও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।